ঈদুল আজহার আগে মনির দেশে আসেন।তাঁর সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হোটেলে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে অথবা অন্য কোনো উপায়ে মনির, ‘তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার স্বপ্না ও প্রতিবন্ধী বড় ছেলে নাঈম হোসেনকে হত্যা করেছে।
তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় কেয়ারটেকার রফিকুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল আদালতে নেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার এসআই জালাল উদ্দিন আদালতে তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।
তখন ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুব আলম বলেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পত্রপত্রিকায় ঘটনাটি এসেছে। একটি পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় রফিকুলও দুঃখিত। মনির দেশে এলে তাঁর মাধ্যমেই হোটেলে উঠতেন। খাবার উনিও খেয়েছেন।
তখন বিচারক বলেন, একজন অসুস্থ হতে পারে, পুরো পরিবার মারা গেল! রফিকুলের বক্তব্য শুনতে চান বিচারক।
তখন রফিকুল বলেন, পুলিশ যা বলছে,এর অতিরিক্ত আমি জানি না। ভর্তা-ভাত হোটেল থেকে এক বক্স ভাত, মুরগির রেজালা, আলু ভর্তা আর শুঁটকি ভর্তা কিনেছিলাম। মনিরের স্ত্রী শুঁটকি পছন্দ করতেন। এ জন্য শুঁটকি নিতে বলা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি আর মনির ওই হোটেলে নান, শিককাবাব আর ফালুদা খাই। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.