বরগুনা জেলার ৯নং এম বালীয়াতলী ইউনিয়নের পরীরখাল গ্রাাসে প্রায় ১৬.০০ শতাংশ ভূমি যাহার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪,০০,০০,০০০/— (চার কোটি) টাকা জমিটি ২০২৪ সালে অন্যয়ভাবে জোড়পূর্বক ৭নং ইউনিয়নের ফরিদ শিকদার তাঁর সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে ভূয়া নিলাম কাগজ দেখিয়ে জজকোর্টে মামল্য চলাকালীন অবস্থায় মহামাণ্য আদালতের রায় অমান্য করে আমাদের রোপন করা ফসল কু—কৌশলে আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ করে জমির এক অংশিদ্বার আব্দুল মালেক বয়াতী, মনির ও মোঃ জুয়েল সহ অনেক অংশীদার।
মো. জুয়েল জানায়, জমিতে আমাদের চাষের আমন ধান কাটার সময় বিকেল অনুমানিক তিন টার দিকে তৎকালীন বরগুনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) সাহাবুদ্দীন, সহকারি উপ পরিদর্শক (এ এস আই) মনির হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এ এস, আই) মোহাম্মদ ইউসুফ তারা বিনা কারণে আমাদের পূর্ব পুরুষ থেকে এই পর্যন্ত দখলে থাকা জমিতে আমাদের রোপন করা ফসলের বিষয় নিয়ে সুকৌশলে অন্যায় ভাবে পুলিশ বরগুনা থানা হাজতে নিয়ে যায়। পরে মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেয়।
পরের দিন আমাদের জমিতে ফরিদ শিকদারে সন্ত্রাসী বাহিনী ধান কেটে লুটপাট করে নিয়ে যায় । জমির ভুক্তভোগীর দখল থেকে অন্যায় ভাবে সরিয়ে দেওয়া দরিদ্র অসহায় কৃষক অংশিদাররা। জুয়েলের অভিযোগ, আমি গত মাসে জমিটির নিকটস্থ স্থান আলিশার মোড় জনগণের সম্মুখে আমাদের দখলে থাকা জমি অন্যায় ভাবে মামলা দিয়ে আমাদের জমিতে ফসল রোপন করার পর ফসল পাকলে কাটার সময় আমাদেরকে মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেয় ।পরের দিন ফরিদ শিকদারের সন্ত্রাসী বাহীনি ক্ষেতের ধান কেটে লুট করে নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় আলোচনার কিছুদিন পরেই বর্তমান ডিবির এ এস আই ইউসুফ বরগুনা সদর, বরগুনা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দুপুর বেলায় আমি গরুকে পানি খাওয়ানোর জন্য মাঠে ছিলাম বাড়ীতে আমার স্ত্রী একা বেপর্দায় মহিলা মানুষের সামনে গিয়ে ডিবি পরিচয় লোকগুলো আমার স্ত্রী কে ঘর খুলতে বলে। আমি ভয়পায় এবং বলে আমার বাড়ীতে পুরুষ লোক নাই আমি কেন ঘর খুলবো আর কেন ঘরের ভিতরে ঢুকবেন। পাশের বাড়ীর মহিলারা কথাবার্তা শুনে কাছে আসতেই দ্রুত ডিবি পরিচয়ে লোকগুলো স্থান ত্যাগ করে। আমি বাড়ীতে এসে শুনার পর আমার বাবা, ভাই ও চাচার সাথে পরামর্শ করে ২০২৪ সালে আমাদের ফসল জোরপূর্বক সুকৌশলে ফরিদ শিকদার দখলে নেওয়ার সময় ডিবি এ এস আই ইউসুফ, তৎকালীন বরগুনা সদর থানার এ এস আই ও তৎকালীন এস আই শাহাবুি্দ্দনের সহযোগী ছিল। তাই জীবনের নিরাপত্তায় বরগুনা সদর থানায় গত ২৬/০৫/২০২৬ তারিখে সাধারণ ডায়েরী করি।
জি.ডি ট্রাকিং নং— এখ২০চঊ। বিষয়টি গণমাধ্যমে ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ দাখিল করি। বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে মানবাধিকার পরিচালক ও সাংবাদিক মো. গোলাম রব্বানী আমাদের জানায় আমরা ভুক্তভোগীর অভিযোগটি নিয়েছি এবং আমাদের সংস্থার কার্যমতে আইনী মোতাবেক বরগুনা জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় সঠিক তথ্য মহামান্য আদালতে দাখিল করার চেষ্টা করবো। জোর পূর্বক আদালত অমান্য করে দখলে থাকা জমির কৃষক ও ফসল কাটা অন্যায়।
যদি এই অন্যায়ের কোন প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে ফরিদ শিকদার সহ কুকৌশলধারী সহযোগী গ্যাংদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আদালতে সোপদ্দর্ করার অনুরোধ জানাবো। আমি এ বিষয়ে জমিটির দেওয়ানী মামলার অভিযোগকারীদের উকিল এ্যাড. হরিদাস এর সাথে আলাপ করে এমনকি ২০২৪ সালে জোর পূর্বক কৃষকদের ধরে নিয়ে জি আর ১৯৩/২৩ মামলা করা উক্ত মামলার মহুরীর সাথে মুঠোফোন আলাপে শুনতে পাই অসহায় দরিদ্র কৃষকের উপর অন্যায় করে তাদের ফলানো ফসল সুকৌশলে লুট করে নিয়ে যায়। তাই উক্ত বিষয়টি ন্যায় বিচারের দাবীতে ও আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণে বিষয়টি সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.