শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু জিপিএ-৫, এ প্লাস বা গোল্ডেন এ প্লাসের পেছনে না ছুটে মেধাবী, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ খেলার মাঠে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই না আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শুধু জিপিএ-৫, এ প্লাস, গোল্ডেন প্লাস, এই সোনার হরিণের পেছনে ছুটে বেড়াক। আমরা চাই তারা মেধাবী ছাত্র হোক, তারা ক্রিয়েটিভ হোক, তারা সৃজনশীল হোক এবং তারা খেলতে খেলতে শিখবে, সেটাই আমরা চাই।
এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা আনন্দময় শিক্ষার জন্য মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ ব্যবস্থা করছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী বাজেটে সেটা দেখতে পাবেন। এই ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ থেকে একজন শিক্ষক তার ক্লাসরুমে কতজন ছাত্রছাত্রী রয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থা, তাদের মানসিক অবস্থা, তাদের পারিবারিক অবস্থা, তাদের অ্যাটেনডেন্স—হতে শুরু করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে এই শিক্ষকদের ট্যাবলেট থেকে তাদেরকে আনন্দময় শিক্ষা শেখানো হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা ক্লাস ফোর থেকে স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার অ্যান্ড ডিবেট—সেটা আমরা ইনক্লুড করছি। ক্লাস সিক্সে আমরা ডিবেট, মানবসম্পদ উন্নয়নের যে ধারণাটি, সেখানে আমরা সেটি দেব। এবং ক্রমান্বয়ে আমরা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেব। কারণ বাংলাদেশে এই অবাধ মানবসম্পদকে আমরা কর্মক্ষম জাতি হিসেবে পরিণত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, এরপর সেকেন্ডারিতে এবং টারশিয়ারিতে এডুকেশনেও আমরা সেখানে কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা চাই বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ টিকে থাকুক। এবং আমাদের এই অপরিসীম মানবসম্পদ, যেটা আমরা মনে করি-বিশ্বে বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি রাষ্ট্র, হাইলি ডেনসলি পপুলেটেড কান্ট্রি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। এই জনসংখ্যা একটি জাতির কখনো অভিশাপ হতে পারে না। এই জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.