ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. নুরুজ্জামান তাকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ঘটনার তদন্তে আ ক ম জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ, সংগঠনের আদর্শ ও কর্মকাণ্ড সমর্থন, অপরাধের ষড়যন্ত্র ও প্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন সরকারবিরোধী মিছিল মিটিংয়ে তার নেতৃত্ব দেওয়ার তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া গেছে।
আদালতে এ আবেদনের বিরোধিতা করে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়
রাষ্ট্রপক্ষ জামিনে আপত্তি জানায়। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ১৮ মে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য, অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতারা রাজধানীর গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে সমবেত হন। ওই সময় পুলিশ সদস্যরা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের বিপরীত পাশে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৯ মে মামলাটি দায়ের করা হয়।
গত ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে আওয়ামী লীগের ব্যানারে ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ করার চেষ্টার অভিযোগে গুলিস্থান এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে পল্টন থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যা মামলারও অন্যতম অভিযুক্ত এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁকে আগামি ২২ অক্টোবর হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.