মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তিন লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, দেশটির আইন লঙ্ঘনকারী এবং নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিলের আওতায় আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা নিয়ে অবস্থানরত ব্যক্তিদের দেশটির আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন।
তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলারবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরা নামদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভিসা বাতিলের এ তথ্য প্রকাশ করেন।
পোস্টে নামদার জানান, ইতোমধ্যে তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে এবং এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। ভিসাধারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে হবে। অন্যথায় দেশটিতে ভ্রমণের সুযোগ হারাতে হতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
নিজের পোস্টের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের একটি বার্তাও যুক্ত করেন নামদার। সেখানে দাবি করা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্য যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।
এর আগে ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভিসা বাতিলের বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জানান, অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে।
পিগট আরও বলেন, ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত কোনো বিদেশি নাগরিক আইন ভঙ্গ করলে, প্রতারণার আশ্রয় নিলে কিংবা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.