রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন(ডিআইজি) কার্যালয়ের কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই ) রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অপকর্মের অভিযোগ দুদকে । এই শিরোনামে টুডে সময় সংবাদ , দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকায় ও অনলাইন পোর্টালে ও প্রতিদিনের খবর ২৪ সহ আরো কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে সকল তথ্য সহকারে তার দুর্নীতি ও অপকর্মের সংবাদ প্রকাশিত হয় ।
এবং সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই রফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগী এবং তার ছোট ভাই পরিচয়দানকারী ডিএমপির (এসআই) । রফিকুল ইসলাম গাজীর দুর্নীতি ও অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য একের পর এক মুঠোফোনে কল দিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি ডিলেট করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । এবং গণমাধ্যম কর্মীকে তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে বাধা দিচ্ছে এবং তার দুর্নীতি ও অপকর্মের সকল কর্মকান্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।এছাড়া তিনি তার স্ত্রী ও নিজের দুর্নীতি- অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য গণমাধ্যম কর্মীকে মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। রফিকুল ইসলাম গাজী তার চাকরি জীবনে অবৈধভাবে অনেক কালো টাকা ও সম্পদ উপার্জন করেছেন বলে বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ সকল বিষয়ে যখন তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ করা হয় তখন তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের লোক দিয়ে মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগগুলো তুলে ধরা হলো।
মহা-পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর ফুলবাড়িয়া রোড, ঢাকা
নোটিশ গ্রহীতা। প্রেরক, সাফিনা মাহরু মানবাধিকার কর্মী আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন, প্রধান কার্যালয়, গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স (৮ম তলা),রুম নং- ৭৭, গুলিস্তান, ঢাকা। নোটিশ দাতা, মাধ্যমঃ
মো. খবির উদ্দিন ভূঁইয়া এ্যাডভোকেট, আপিল ডিভিশন সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ।
আমার মোয়াক্কেল সাফিনা মাহরু, মানবাধিকার কর্মী এর নিকট তথ্য ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়া আপনাদেরকে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা এপিবিএন উত্তরা, ঢাকা কার্যালয় পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম গাজী এর অবৈধ সম্পদের বিষয় গত ১৭/০৮/২০২৫ইং তারিখ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন মোঃ আবু জাফর সিদ্দিক নামের জনৈক ব্যক্তি। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮/১০/২০২৫ইং তারিখে দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকায় তার বসবাসর ফ্ল্যাটের ছবিসহ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে, রাজধানীর ঢাকায় উত্তরার এপিবিএন কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে দুর্নীতি অপকর্মের অভিযোগ দুদকে। উপরোক্ত বিষয়ে রফিকুল ইসলাম গাজী অবগত হওয়ার পর পত্রিকার সাংবাদিক ও সম্পাদক মন্ডলীকে বিভিন্নভাবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিরক্ত সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেই যাচ্ছেন। এছাড়াও তার এলাকার আপন ছোট ভাই এর মাধ্যমে যিনি বর্তমানে পুলিশের ডিএমপির কার্যালয়ে কর্মরত আছেন এসআই পদে যার মোবাইল নং-০১৯২০২০১৭৯১। তিনি উক্ত মোবাইল নম্বর থেকে কল দিয়ে পুলিশ পরিচয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রকার হয়রানি করার চেষ্টা করিতেছেন বলে সাংবাদিকগণ এর নিকট আমার মোয়াক্কেল জানতে পেরেছেন। রফিকুল ইসলাম গাজীর বিষয়ে গত ২৮/১০/২০২৫ইং তারিখ মাননীয় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (জননিরাপত্তা বিভাগ), বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ করেন খালেদ হাসান নামের জনৈক ব্যক্তি।
রফিকুল ইসলাম গাজী পুলিশের একজন উপ পরিদর্শক (এসআই) হয়ে কিভাবে এত অবৈধ সম্পদের মালিক হলেন তা তদন্তপূর্বক যথাযথভাবে বিভাগীয় মামলা দায়ের করণ সহ অনান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি-না? তা লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ০৭ (সাত) দিনে মধ্যে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর বরাবর জবাব দাখিলের জন্য নোটিশ গ্রহীতাকে অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় আমার মোয়াক্কেলের নির্দেশ মোতাবেক আপনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে বাধ্য থাকিব।
উল্লেখ্য যে, রফিকুল ইসলাম গাজীর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে সাংবাদিক গণের সহযোগিতা করণ ও নিরাপত্তা প্রদান করণ, আমার মোয়াক্কেল, সাংবাদিকগণ, অভিযোগকারীগণকে হয়রানি না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। বিঃদ্রঃ উক্ত লিগ্যাল নোটিশের কপি ভবিষ্যত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আমার সেরেস্তায় সংরক্ষিত রইল।
সংযুক্তঃ ১। গত ২৮/১০/২০২৫ইং তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর সচিব বরাবর অভিযোগের ফটোকপি।
২। গত ২৮/১০/২০২৪ইং তারিখ দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এর মূলকপি।
অনুলিপি : সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
১) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (জননিরাপত্তা বিভাগ), বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা ।
২) চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
৩) কমিশনার (অনুসন্ধান), দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
৪) পরিচালক, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
৫) উপ-পরিচালক, ঢাকা জেলা সমন্বিত কার্যালয়-১, দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
৬) পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি, ঢাকা।
৭) ডিআইজি, ঢাকা এপিবিএন উত্তরা কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, ঢাকা।
৮) উপ-পুলিশ কমিশনার, উত্তরা বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা।
৯) অফিসার ইনচার্জ, উত্তরা পূর্ব থানা, ডিএমপি, ঢাকা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (জন নিরাপত্তা বিভাগ) বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা ।
ঢাকা এপিবিএন উত্তরা, ঢাকা কার্যালয় পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম গাজী এর অবৈদ সালের বিষয় গত ১৭/০৮/২০২৫ তারিখ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন মো. আবু জাফর সিদ্দিক নামের জনৈক ব্যক্তি।
উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮/১০/২০২৫ তারিখে দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে, রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে দুর্নীতি অপকর্মের অভিযোগ দুদকে। উক্ত প্রতিবেদনের আলোকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে। যথাবিহীত সম্মাণপ্রদর্শন পূর্বক নিবেদন এই যে, আমি খালেদ হাসান, পিতা- মোজাম্মেল হক, মাতা-নুরজাহান বেগম, জেলখানা রোড, ময়মনসিংহ সদর, জেলা- ময়মনসিংহ। এই মর্মে অভিযোগ করিতেছি যে, মো. রফিকুল ইসলাম গাজী, পিতা- কাবিল উদ্দিন গাজী, মাতা- ছবিরন নেছা, স্ত্রী-ফাতেমাতুজ জহুরা, তার স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম- শিবপুর বাদুর গাছা, ডাকঘর: বায়ারসিং, থানা- ডুমুরিয়া, জেলা, খুলনা। বর্তমান ঠিকানা, বাসা নং- ৫০, উদয়ন স্কুল রোড, মোল্লারটেক, দক্ষিণখান, থানা- দক্ষিণখান, ঢাকা। তার ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে ২৮/১০/২০২৫ তারিখ দৈনিক আলোকিত একুশে সংবাদ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় গত ১৭/০৮/২০২৫ তারিখ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচা, ঢাকা অভিযোগের ভিত্তিতে। পত্রিকার প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ায় রফিকুল ইসলাম পত্রিকার প্রতিবেদক ও দুদকে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে নানান প্রকার ভয়ভীতি ও মামলার হুমকি দেখিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও তার আপন ছোট ভাই ডিএমপি পুলিশ এর কার্যালয়ে কর্মরত থাকার কারণে তার মাধ্যমেও এবং বিভিন্ন পুলিশের মাধ্যমে সাংবাদিকদের হয়রানি সহ ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও রফিকুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে এপিবিএন হেডকোয়াটার উত্তরা ঢাকা অতিরিক্ত ডিআইজি নুরুল ইসলাম সাহেব তদন্ত করিতেছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়। রফিকুল ইসলাম একজন পুলিশের উপ-পরিদর্শক হওয়ায় কিভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন তা খুবই আশ্চর্যের বিষয়। তিনি বর্তমানে যে বাসায় বসবাস করিতেছেন। সেই বাসার ফ্ল্যাটটি তিনি কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। রফিকুল ইসলাম এর ক্ষমতার প্রভাব ও অবৈধ সম্পদের উৎস সম্পর্কে এবং সাংবাদিকদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মামলার হুমকি ধামকি দিয়ে তার অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের কাজে বাধা দিয়ে যাচ্ছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। রফিকুল ইসলামকে আইনের আওতায় নিয়ে তার অবৈধ সম্পদের উৎস সম্পর্কে সঠিক তদন্ত করে দুদকে মামলা দায়েরের সুপারিশ করণ ও বিভাগীয় মামলা দায়ের করণ সহ সাংবাদিকদের হুমকি ধামকির বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করন খুবই জরুরী। উপরোক্ত বিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে জনাবের মর্জি হয়।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.