রাজধানীর আজিমপুর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানার জায়গায় প্রধান ফটকের পাশে বে-আইনি ভাবে রেস্তোরা ও গোডাউন ভাড়া দিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে একটি চক্র । বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের দোসর মোহাম্মদ হারুন, মোহাম্মদ মানিক ও মঞ্জুর আহমেদের নেতৃত্বে দুর্নীতি- অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। এতিমখানার এতিম ছাত্র- ছাত্রী এবং সাধারণ কর্মচারীরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন। ওই চক্রের বিরুদ্ধে কেউ যদি কোন ভাবে প্রতিবাদ করতে যান। তাকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও মামলা দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেন। এমনকি অনেক সময় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করেন চক্রটি। গত ১৬ বছর যাবত আওয়ামী লীগের দোসর এককভাবে রাজত কায়েম করছে ওই চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে তারপরও তাদের বিরুদ্ধে সঠিক কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে স্যার সলিমুল্লহ মুসলিম এতিমখানার একজন সাবেক ছাত্রী এবং অত্র প্রতিষ্ঠানের এক্স স্টুডেন্টস,INMATE'S এসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে অতি সম্প্রতি একটি বড় ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম লক্ষ্য করে। দীর্ঘ দিনযাবৎ এতিমখানার কোনো কার্যনির্বাহী পরিষদ না থাকায় এবং বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক গণের উদাসিনতা,নিরলিপ্ততার সুযোগ নিয়ে এতিমখানার অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা সুযোগ সন্ধানি গ্রুপটি মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যমে স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে এক দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। ওই ছাত্রী কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকটি দুর্নীতির ঘটনা তুলে ধরছে। এতিমখানার সাবেক চিকিৎসা কেন্দ্রটি আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুর আহমেদ কোকাকোলার গোডাউন হিসাবে ভাড়া প্রদান করার জন্য তৎকালিন কমিটিকে বাধ্য করেন। তৎপরবর্তীতে তিনি ভাড়া প্রদান না করার কারনে এতিমখানা কর্তৃপক্ষ তাহাকে উচ্ছেদের নোটিশ দেন। আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুর আহমেদ ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার দোসর অপর স্বৈরাচারী কমিশনার আজিমপুরের আতঙ্ক এতিমখানার সাবেক ছাত্র সন্ত্রাসী মোহাম্মদ মানিক এবং অপর আওয়ামীলীগ নেতা ও এতিমখানার মার্কেটের চিহ্নিত চাঁদাবাজ কথিত তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশিদ হারুন এর প্রত্যক্ষ মদদে এতিমখানার অভ্যন্তরে দখলদারিত্ব কায়েম করে। আজিমপুরের সাবেক কমিশনার মানিক এবং এতিমখানা মার্কেটের চিহ্নিত চাদাবাজ হারুন ৫ই আগস্ট পরবর্তী একাধিক হত্যা মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকলেও অবৈধ ভাড়াটিয়া মঞ্জুর আহমেদ যে কি না বর্তামনে নব্য বিএনপি নেতা সেজে এতিমখানার কর্মচারী (স্টাফ) শাওন, ইউসুফ, হাউস টিউটর এহসান এর যোগসাজসে এক লুটের রাজত্ব কায়েম করেছে।
স্বৈরাচারী কমিশনার আজিমপুরের আতঙ্ক এতিমখানার সাবেক ছাত্র সন্ত্রাসী মানিক এবং অপর আওয়ামীলীগ নেতা ও এতিমখানার মার্কেটের চিহ্নিত চাঁদাবাজ কথিত তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশিদ-কে জেল থেকে জামিনে বের করার জন্য উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ ও তাহাদের আরো সঙ্গীরা এক রেস্তোরা ব্যবসায়ী জান্নাত ক্যাফে এর সত্বাধিকারী সিদ্দিক এর কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকা গ্রহণ করিয়া এতিমখানার প্রধান ফটক সংলগ্ন সাবেক চিকিৎসা কেন্দ্রটি চার পাশের দেওয়াল ঠিক রাখিয়া অত্যন্ত গোপনে সেখানে রেস্তোরা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বহুতল ভবণ নির্মানের কাজ শুরু করিয়াছে।
অবৈধ ভাড়াটিয়া মঞ্জুর আহমেদ উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের সহযোগীতায় বিজ্ঞ ৪র্থ সহকারী জজ আদালত, ঢাকা'র বাড়ী ভাড়া মোকদ্দমা নং-০৬/২০১৭ মামলায় এতিমখানার পক্ষে জমাকৃত প্রায় ৫,০০,০০০/=(পাঁচ লাখ) টাকা উত্তোলন করিয়া আত্মসাৎ করেছে।
এতিমখানার প্রয়োজনে চাল, ডাল সহ যাবতীয় মুদি মালামাল অধিক মূল্যে স্টাফ শাওনের শ্বশুড় এর দোকান হইতে খরিদ করা হয়।
এছাড়াও একাউন্টসে হিসেব মেলাবার জন্য কখনো কখনো শুধুমাত্র কাগজে ভাউচার দিয়া এতিমখানার লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। বিষয়গুলো জানতে পেরে আমি এতিমখানার প্রধান ফটকে গিয়া প্রতিবাদ করার কারনে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ সহ প্রশাসনের পরিচয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিবর্গ আমাকে ভয়- ভীতি হুমকি ধামকি প্রদান করে আসছেন। এতিমখানার বর্তমান প্রশাসক উপরোক্ত ঘটনা সমূহ অজ্ঞাত কারনে জানিয়াও না-জানার ভান করিতেছেন। চিহ্নিত চাঁদাবাজ কথিত তত্ত্বাবধায়ক হারুন অর রশিদ একাধিক মামলার এজাহার ও চার্জশীট ভূক্ত আসামী হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান প্রশাসক রহস্যময় কারনে তাহাকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করেন নাই। বরং হারুন অর রশিদের অত্যন্ত ঘনিষ্ট ও এতিমখানার টাকা আত্মসাৎকারী শাওন স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে এতিমখানার টাকা লুটপাটে ব্যস্ত। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানাটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সত্যিকার অর্থেই আজ অসহায় এতিম হইয়া পড়িয়াছে। প্রতিষ্ঠানটিকে যেন দেখার কেউ নেই ! এতিমখানার বর্তমান বেহাল অবস্থায় দেখিয়া সাবেক নিবাসী ছাত্র-ছাত্রীরাসহ আমি অত্যন্ত মর্মপিড়ায় ভুগচ্ছি। বিবেকের দায়-বদ্ধতা থেকে উপরোক্ত বিষয় গুলো আপনার দৃষ্টি গোচর করছি। আমি সাবিনা ইয়াসমিন (সাবেক) ছাএী স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা।
লোক মারফতে জানতে পারলাম বর্তমানে এতিমখানায় প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে পর্যালোচনার দায়িত্বে আহ্বায়ক হিসেবে আছেন। এতিমখানার বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতি কথা তুলে ধরলাম, এতিমখানার চুক্তি পএে পরিস্কার ভাবে বলা আছে। দোকান / গুদাম ভারাটিয়াদের , অন্য কোন ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া প্রদান করিতে পারিবেন না। কোনো সাব-লেট,উপ ভাড়াটিয়া মেস, বোডিং, হোটেল ব্যবসা বা সমাজ ও আইনের চোখে দোষণীয় এমন কোনো কার্যকলাপ করতে পারিবেন না। কিন্তু এতিমখানার অফিস বাড়ির গেটের সাথে গুদাম ঘরটি বর্তমান ভাড়াটিয়া মনজুর আহমেদ (দ্বিতীয়) পক্ষ। তৃতীয় পক্ষ ক্যাফে জান্নাত হোটেল এর কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে মাসিক এক লাখ টাকা ভাড়ায় চুক্তি করে। আমার মনে প্রশ্ন হল মঞ্জুর আহমেদ এতিমখানা কে মাএ পচিশ হাজার টাকা ভাড়া দিবে। তাহলে এতিমখানার কর্তৃপক্ষতো মোটা অংকের ভাড়া দিতে পারে। হোটেলের কাজ চলছে আমি গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম হোটেল করার অনুমতি কে দিল। তৃতীয় পক্ষ হোটেলের মালিক আমার নামে গিয়ে লালবাগ থানায় চাঁদাবাজির জিডি করেন।
পরবর্তীতে এতিমখানার একাউন্টেন্ট আল-আমিন শাওনকে আমি জিজ্ঞাসা করি হোটেল কিভাবে করে এতে আল আমিন শাওন কোন উত্তর দিতে পারে নাই। তাহলে বুঝা গেল অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় পক্ষের মঞ্জুর আহমেদ সাথে আল আমীন শাওন এর গোপনে অংকের টাকার লেন দেন হয়েছে । তার ডিটের কপিতে (কপি নং ০১)। হারুন,শাওন,ইউসুব গংদের আরো অনিয়ম দূর্নীতি- অনিয়মের তথ্যগুলো হলো, গত ২০২২/২০২৪ বছরের কমিটির অনিয়ম ও দূর্নীতির কারণে ০৭/১০/২০২৪ পূর্বের কমিটি বাতিল করে প্রশাসক হিসেবে জনাব সমির মল্লিক সাহেব কে নিয়োগ করা হয়, কিন্তু হারুন, শাওন,ইউসুব দের সিন্ডিকেটে তিনি প্রশাসক পদ থেকে অব্যহতি নিতে বাধ্য হন।
এই সময়ের মধ্যে হারুন, শাওন, ইউসুবরা তরিগরি করে একটা পকেট কমিটি গঠন করে। পকেট কমিটির বৈধতা সমাজ কল্যান না দেয়ায় হারুন গংরা হাইকোর্টে রিট করে, সেই রিট হাইকোর্ট বাতিল করে দেয়।এরপর হারুন গংদের নতুন মিশন সোসাইটি গঠন করা। সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের জিম্মি করে সমাজ কল্যানের নামে বিভিন্ন ভুল তথ্য দিয়ে ছয় মাস সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বন্ধ করে সোসাইটির ঘোষণা দেয় হারুন গংরা। হারুন ১৯/০৩/২০২৫ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মামলার আসামী হয়ে জেলে আছে। ২১/০৩/২০২৫ তারিখে নতুন প্রশাসক মেজর রিয়াদুল ইসলাম সাহেব এতিমখানার দায়িত্ব নেন। কিন্তু শাওন সকল স্টাফদের ডেকে বলে যেহেতু সোসাইটি বহাল আছে সেহেতু সোসাইটির কথায় বেতন নিবো। শাওন মেজর স্যারকে দুঃসাহস দেখিয়ে ছয় মাসের বন্ধ থাকা বেতন থেকে একমাসের বেতন ইসলামি ব্যাংকের নতুন একাউন্ট দিয়ে দেয়।
মেজর সাহেব মনে বহু কষ্ট নিয়ে উপদেষ্টা সাহেবাকে জানান। উপদেষ্টা সাহেবা সোসাইটি বাতিলের দরখাস্ত পাঠান যৌথমুলধন কোম্পানি ফার্ম সমুহের পরিদপ্তরে। পরবর্তিতে অবৈধ সোসাইটি বাতিল হয়ে যায়। সোসাইটি বাতিলের কপি নং-০২। বিগত ছয় মাস প্রশাসন না থাকায় বহু টাকা লুটপাট করা হয়েছে দয়া করে হিসাব নিন। ২০২২/২০২৪ এর কমিটি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মসজিদের উত্তর পাশের দেয়াল নতুন করে করার জন্য বিশ লাখ টাকা অনুমোদন দিয়ে যায় সাবেক সম্পাদক সাব্বির । কিন্তু হারুন, শাওনদের সিন্ডিকেটে দেয়ালের ভিম করার জন্য কনকড টাওয়ারের রড এনে কাজ করে, যা পরবর্তীতে বিল বানিয়ে নেয়।মসজিদের উত্তর পাশে পুরাতন ঘর গুলি বিনা টেন্ডারের বিক্রি করে এই পুরাতন ইট দিয়েই দেয়াল করা হয় এবং এই দেয়ালের কাজ এখনও শেষ হয় নাই।
যে লোক এই ঘর গুলি ভেঙে নিয়েছে । প্রতি বছর রমজান মাসে দাতা কতৃক বিভিন্ন অনুদান এতিমখানায় আসে ২০২৪ সালে অনুদান ৪০/ ৫০ লাখ আসে কিন্ত ২০২৫ সালে এই অনুদান অর্ধেকে নেমে আসে এর মুল কারণ একটা হতে পারে প্রমান সরুপ । হারুন তত্তাবধায়ক থাকা অবস্থায় সাবেক পিওন শহিদের বড় ছেলেকে গার্ড হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়তো সেই সুবাদে শহিদকে নকল মানি রশিদ তৈরী করে দাতাদের কাছ অনুদান আনতো যা এতিমখানায় জমা হতো না। ডোনার নিজেই সন্দেহ করে এবং এতিমখানা কে জানায় এর কোনো বিচার হচ্ছে না । এই রকম আরো কত আছে সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে। শাওন এতিমখানার সকল মুদি মাল ও কাচা মাল তার শশুর এর দোকান থেকে কিনে। এই শাওন মনটু হাওলাদার গাড এর কাছ থেকে চার লাখ বেশী বেতনের টাকা হাতিয়ে নেয়। লিখে শেষ করা যাবেনা আরো বহু দুর্নীতি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি শাওন গংদের শক্ত করে ধরুন অবৈধভাবে হোটেলের কাজ বন্ধ করুন। হারুন সাময়িক বরখাস্ত আছে তাকে বাতিল করে নতুন সুপার নিয়োগ দিন। আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের জন্য দোয়া রইলো ।
উল্লেখ্য,গুদাম ভাড়ার চুক্তিপত্র,
স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানার পক্ষে মোঃ আনিসুর রহমান, সম্পাদক, স্যার সলিমুলাহ মুসলিম এতিমখানা, ৪৮, আজিমপুর রোড, ঢাকা-১২০৫।
প্রথম পক্ষ,জনাব মনজুর আহমেদ, পিতা-মৃতঃ মকবুল হোসেন, ১/এ/১. হাতিরপুল টাওয়ার হাউজ, এপার্টমেন্ট এ-২, ২য় তলা, ঢাকা-১০০০। ব্যবসায়িক দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র/ তফসিল বর্ণিত গুদাম ঘরটি যাহা ৪৮নং আজিমপুর অবস্থিত। গুদাম ঘরটির মালিক স্যার সলিমুল-াহ মুসলিম এতিমখানার পক্ষে সম্পাদক কার্যকর ভূমিকা পালন করিবেন।
গুদাম ভাড়ার বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনাক্রমে নিম্নলিখিত শর্তে চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হইল।
১। গুদাম ভাড়ার চুক্তিপত্রের মেয়াদকাল হইতে ৫ (পাঁচ) বছর, যাহা ০১-০১-২০১১ ইং তারিখ হইতে ৩১-১২-২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
২। তফসিলে বর্ণিত কম-বেশী ৯৪৮ বর্গফুট বিশিষ্ট গুদাম ঘরটির মাসিক ভাড়া ০১-০১-২০১১ ইং তারিখ হতে ৩০-০৬-২০১৩ ইং তারিখ পর্যন্ত প্রতি কর্গফুট ২০/-(বিশ) টাকা হারে (২০০৯৪৮) =১৮,৯৬০/- (আঠার হাজার নয়শত ষাট) টাকা দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে পরিশোধ করিবেন। আড়াই বছর পর উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া পূণঃনির্ধারণ করা হইবে।
৩। দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষের বরাবরে তফসীল বর্ণিত গুদাম ভাড়ার অগ্রিম বাবদ ২,০০,০০০/- (দুইলক্ষ) টাকার চেক নং-০০৮৩৮২২ তারিখ-০৫/০৭/২০১১, হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিঃ প্রদান করা হইয়াছে যাহা আগামী ০৫/৭/২০১১ তারিখে নগদায়ন করা হইবে অন্যথায় অত্র গুদাম ভাড়ার চুক্তিপত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। উলে- খ্য যে, অগ্রিম বাবদ প্রদেয় টাকা প্রাপ্তির পরের মাস হইতে প্রতি মাসে ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা করে ভাড়ার সহিত সমন্বয় করা হইবে।
81 দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষের প্রাপ্ত প্রতিমাসের ভাড়া ক্রস চেকের মাধ্যমে ৭ (সাত) তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিবেন। এবং প্রথম পক্ষ উক্ত ভাড়ার টাকা প্রাপ্ত হইয়া দ্বিতীয় পক্ষকে স্যার সলিমুল-াহ মুসলিম এতিমখানার ভাড়ার রশিদ প্রদান করিবেন।
৫। গুদামটির সর্বপ্রকার পৌর কর, খাজনা প্রথম পক্ষ পরিশোধ করিবেন।
৬। দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়া গুদাম ঘরটির বিদ্যুৎ বিল ও পানির বিল নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করিবেন এবং উক্ত বিল সমূহের মূলকপি প্রথম পক্ষের নিকট নিয়মিত প্রদান করিবেন।
۹۱ দ্বিতীয় পক্ষ ৩ (তিন) মাস ভাড়া পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে প্রথম পক্ষ তাহাকে নোটিশের মাধ্যমে উৎখাত করিতে পারিবেন এবং চুক্তিপত্র বাতিল হইবে।
৮। দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া নেওয়া গুদাম ঘরটিতে কোন মেস, বোর্ডিং, হোটেল ব্যবসা বা সমাজ ও আইনের চোখে দোষণীয় এমন কোন কার্যকলাপ করিতে পারিবেন না। করিলে প্রথম পক্ষ বিনা নোটিশে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করিতে পারিবেন।
৯। তফসিল বর্ণিত গুদাম ঘরটির ব্যবহারকৃত বিদ্যুৎ ও পানি সংক্রান্ত কোন সমস্যা হইলে তা রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্ব দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়ার উপর বর্তাইবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়া নিজ খরচে উক্ত সমস্যার সমাধান করিয়া লইবেন।
১০। দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়া গুদাম ঘরটির কোন ক্ষতি সাধন করিলে দ্বিতীয় পক্ষ তাহার নিজ খরচে মেরামত করিয়া লইবেন বা প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষের নিকট হইতে অগ্রিম গ্রহণকৃত টাকা (যদি থাকে) এর মধ্য হইতে তাহা মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। অন্যথায় দ্বিতীয় পক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিবেন।
১১। দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়া নিম্ন তফসিল বর্ণিত গুদাম ঘরটিতে কোন সাব-লেট বা উপ ভাড়াটিয়া বা অন্য কোন ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া প্রদান করিতে পারিবেন না। এইরূপ কার্যকলাপের জন্য দ্বিতীয় পক্ষের চুক্তিপত্র বাতিলসহ উচ্ছেদ করা হইবে এবং এ ব্যাপারে ২য় পক্ষের কোন আপত্তি গ্রাহ্য হইবে না।
১২। স্যার সলিমুল-াহ মুসলিম এতিমখানার যে কোন প্রয়োজনে নিম্ন তফসিল বর্ণিত গুদাম ঘরটি অত্র চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বেই দ্বিতীয় পক্ষকে ছাড়িয়া দেওয়ার জন্য ৩ (তিন) মাসের লিখিত নোটিশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত নোটিশ ইস্যুর তারিখ হইতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে গুদাম ঘরটি ছাড়িয়া দিতে বাধ্য থাকিবেন। ইহাতে দ্বিতীয় পক্ষের কোন ওজর আপত্তি চলিবে না। অনুরূপভাবে দ্বিতীয় পক্ষ গুদাম ঘরটি ছাড়িয়া দিতে চাহিলে প্রথম পক্ষকে ৩ (তিন) মাস পূর্বে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে।
১৩। প্রথম পক্ষের নিকট হইতে তফসিল বর্ণিত গুদাম ঘরটি যেই অবস্থায় দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া গ্রহণ করিয়াছেন, গুদাম ঘরটি ছাড়িয়া দেওয়ার সময় সেই অবস্থায় শান্তিপূর্ণ দখল হস্তান্ডুর করিবেন। অন্যথায় দ্বিতীয় পক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিবেন। এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, সুস্থ শরীরে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে অত্র চুক্তিপত্র পাঠ করিয়া এবং বুঝিয়া আমরা প্রথম পক্ষ ও দ্বিতীয় পক্ষ স্বহড়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর প্রদান করিলাম।
জেলা-ঢাকা, থানা-লালবাগ, স্যার সলিমুলাহ মুসলিম এতিমখানার মালিকানাধীন ৪৮, আজিমপুর রোডস্থ গুদাম ঘর। যাহার উত্তরে- এতিমখানার প্রধান গেইট, দক্ষিণে- কনকর্ড স্যার সলিমুল াহ লিগ্যাসী, পূর্বে-প্রধান সড়ক এবং পশ্চিমে- খালি জায়গা অবস্থিত। গুদাম ঘরের জায়গার পরিমান কম-বেশী- ৯৪৮ বর্গফুট।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.