কুমিল্লার তিতাসে অস্ত্র ঠেকিয়ে একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রতি রাতেই ঘটছে কোন না কোন গ্রামে ডাকাতির ঘটনা।খোঁজ নিয়ে জানা যায়,গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের মঙ্গলকান্দি গ্রামের দুলাল মিয়ার বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।বাড়ির দরজা ভেঙে মুখোশধারী ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করলে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।স্থানীয়দের মতে, ডাকাত দল ১৩ ভরি স্বর্ণ,১৫ ভরি রুপা,নগদ ৫ লাখ ৮ হাজার টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল লু'ট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এরআগে গত সোমবার দিবাগত রাত দুই টার দিকে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামের কান্দা পাড়ায় মোশাররফ হোসেন ও নবীর হোসেনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মুখোশধারী ৮–১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল মোশাররফ হোসেন ও নবীর হোসেনকে পি'স্তল, ছু'রি ও ধারালো অস্ত্রের মুখে দুই পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে বেধড়ক মা'রধর করে। ডা'কাতরা দুই বাড়ি থেকে প্রায় সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার, সাত ভরি রৌপ্য, নগদ ৪০ হাজার টাকাসহ তিনটি টাচ মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৯ লাখ টাকার মালামাল লু'ট করে নিয়ে গেছে।জানা যায়, ডা'কাতদল বিল্ডিংয়ের কেচি গেটের তালা কে'টে ভেতরে প্রবেশ করে মোশাররফ হোসেন ও তার স্ত্রী খাদিজা বেগমকে হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন করে।
অন্যদিকে নবীর হোসেনের বাড়িতে ঢুকে তাকেসহ তার স্ত্রী আকলিমা বেগম এবং ছেলে তামিম ও মেয়ে হামিমকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ।পরে স্থানীয়রা আ'হতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করাণ।সম্প্রতি উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের কালামিয়া বাড়ি সংলগ্ন প্রবাসীর স্ত্রী
আয়েশা বেগমের বাড়িতে গভীর রাতে ডা'কাতরা প্রবেশ করে শিশুকে পি'স্তল ও রা'মদা ঠে'কিয়ে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে।
তারা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ বাড়ির মূল্যবান মালামাল লু'ট করে পা'লিয়ে যায়। একাধিক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে বলে এমন পোস্ট করেছে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।সূত্রে জানা যায়, রাত পোহালে শোনা যায়, বিভিন্ন গ্রামে ঘটছে একের পর এক ডা'কাতির ঘটনা। এতে নতুন করে এখন ভয়ের সংস্কৃতিক চালু হয়েছে উপজেলাসহ বিভিন্ন গ্রামে।তারা ভয়ে কাতর হয়ে নির্ঘুম জীবনযাপন করছে কোনরকম।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.