মোহাম্মদ হেদায়েত পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি শুরু করেন । চাকরির সুবাদে বিতারিত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে।
ঢাকার রেলওয়ে থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন । এরপরে তিনি বাংলাদেশ টু কলকাতা ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনে কনস্টেবল হিসেবে মৈত্রী ট্রেনের কর্মরত ছিলেন । এছাড়া আরো অনেক জায়গায় চাকরি করেছে । পরবর্তীতে প্রমোশন পেয়ে তিনি বর্তমানে দক্ষিন খান থানায় এএসআই পদে কর্মরত আছেন।
দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ দিয়ে পাঁচতলা বহুতল ভবনের একটি পুরো ইউনিট ক্রয় করেন। বর্তমান বাজার মূল্য তার দাম হবে প্রায় কোটি টাকা । এছাড়াও দক্ষিণ খান এলাকায় ও নিজ গ্রামের বাড়িতে নামে বেনামে অনেক জমি ও প্লট ক্রয় করেছেন ।
বর্তমানে পরিবার নিয়ে রোড নম্বর-- ২, বাসা নম্বর - ৭০, দক্ষিণ গাওয়েল দক্ষিন খান এলাকায় পাঁচতলা ভবনের একটি পুরো ইউনিট ক্রয় করে বসবাস করছেন । বিগত সরকারের আমলে তার চাকরি জীবনে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিছেন তিনি । তিনি চাকরির সুবাদে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে একের পর এক দুর্নীতি ও অপকর্ম চালিয়ে গেছেন। বিভিন্ন ধরনের তদবির ও অবৈধভাবে ঘুষবাণিজ্য মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের হাতের হিসেবে ব্যবহার করতেন। এখনো তিনি দক্ষিণখন থানায় কর্মরত থাকার কালীন একই কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে আজও তিনি একের পর এক দুর্অনীতি --অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন । তার এই অপকর্ম শেষ কোথায় । প্রশাসনের লোকজন কেউ কি দেখে না ? মোহাম্মদ হেদায়েত চাকরির সুবাদে কাউকে পরোয়া করে না তার মন মতো যা ইচ্ছা তাই করছেন ।
এএসআই হেদায়েতের বিষয়ে অভিযোগে জানা গেছে , তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যকম করে থাকেন ,এমন একটি অভিযোগ এয়ারপোর্ট রেলস্টেশন পার্কিং এর পূর্ব পাশে ভ্রাম্যমান একটি দোকানের বিষয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করার জন্য তদারকি করেন। এবং সে দোকানদারকে বিভিন্ন ধরনের মামলার হুমকিও দিয়ে আসেন।
উল্লেখ্য,বিবাদীর বোন মৃত্যুবরণ করার পর বিবাদী গত ১ মাস পূর্বে বিদেশ থেকে আসে। আমার দোকানের বিষয়ে বিভিন্ন লোকজনের কাছে আপত্তিকর কথাবার্তা বলে আমার সুনাম নষ্ট করে। চলতি বছরের ৭ই ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে বিবাদীসহ তাহার ভাড়াটিয়া ৫/৬জন মাস্তান নিয়া আসিয়া আমার দোকানে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
আমি প্রতিবাদ করিলে বিবাদীরা আমাকে মারধর করিয়া আমার দোকানের সবকিছু এলোমেলো করে মাটিতে ফিলিয়ে দিয়া ক্ষতি সাধন করে। একপর্যায়ে আমার দোকানের ভিতরে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুটপাট করিয়া নিয়া যায়। যাওয়ার সময় তাহারা আমাকে খুন জখম সহ মামলা মোকদ্দমা দায়ের ও নানা ধরনের হুমকি প্রদান করিয়া চলিয়া যায়। অভিযোগে আরো জানা গেছে, ওই সময় বিমানবন্দর থানার একজন সাব ইন্সপেক্টর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে তখন মোহাম্মদ হেদায়েত নিজের চাকরি বাঁচানোর জন্য ওই সাব ইন্সপেক্টরকে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে সুকৌশলে অর্থের বিনিময়ে মোহাম্মদ হেদায়েত ঘটনাস্থল থেকে শটকে পড়ে।
এ ব্যাপারে পুলিশের এএসআই মোহাম্মদ হেদায়েত সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মোবাইল ফোনে কথা বলবো না, মোবাইল ফোনে কথা বললে সেগুলো রেকর্ড হয়ে যায় । তাই সরাসরি আপনার সাথে কথা বলতে চাই, নিউজ করার দরকার নেই। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে । পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ হেদায়েতের আরো অনেক দুর্নীতি ও অপকর্মের সংবাদ জানতে আমাদের সাথেই থাকুন । পর্ব --১
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.