রাজধানীর কাফরুল থানাধীন মিরপুর ১৩ টিনশেড কলোনি ১০৭ নম্বর বাসার মো. কামরুল ইসলাম সরকার ব্যাংক থেকে বাসায় আসার পথে ১৩ নম্বর সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সামনে থেকে বিকাল ৩ টার সময় একদল সন্ত্রাসী একটি অটো রিক্সায় জোপূর্বক ভাবে তুলে নতুন বাজার কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আটক করে রাখে ।
অপহরণ করে নিয়ে যায় পর ব্যাপক মারধর করে এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার কাছে থাকা এক লাখ টাকা নগদ ও বিকাশ ও নগদ একাউন্ট থেকে প্রায় ২৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। সন্ত্রাসীরা রাত আনুমানিক ১১ টার সময় তাকে উপরোক্ত স্থানে গুরুতর যখম অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে কাফরুল থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে থানার পুলিশ অভিযোগটিকে আমলে নেয় এবং মামলা রুজি করে।
কাফরুল থানা মামলা নম্বর ১৬ বাৎসরিক নম্বর ১১৯ আইনের নাম ও ধারা :১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩৮৪/৫০৬/১০৯ উক্ত মামলা আসামিরা হল :: তরিকুল ইসলাম আল মামুন, রহিমা আক্তার নিশি , মোহাম্মদ মাসুদ করিম মোল্লা, ইমরান, ও মাসুদ রানা মিন্টু সহ অপরিচিত ৩-৪ জন। কামরুল ইসলাম সরকারের সাথে ওই সকল সন্ত্রাসীদের পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানায় , উক্ত মামলার এক নম্বর আসামি আমারই ছোট ভাই এবং দুই নম্বর আসামি তার স্ত্রী। আমার ভাই একজন নিয়মিত মাদক সেবনকারী বাড়িতে আমার বৃদ্ধ অসুস্থ মা থাকে। প্রতিদিন একদল মাদক সেবনকারী আমার বাড়িতে আমার ভাইয়ের ফ্ল্যাটে আসা-যাওয়া করে এ বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করলেই ওর সাথে থাকা মাদক সেবনকারী উশৃংখল দলটি নিয়ে বিভিন্ন সময় আমাকে ফোনে হুমকি এবং বাসায় ঝগড়াঝাটি করত। কাফরুল থানায় আমার ভাইয়ের সাথে চিহ্নিত আসামিদের প্রত্যেকেরই মাদক মামলা আছে থানায় খোঁজ করলে পাওয়া যাবে হয়তো। এ সকল সন্ত্রাসীর সাথে আমার কোনদিনই বিরোধ ছিল না বলে জানায় অভিযোগকারী। গত ১৩ই এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় বাড়ি ভাড়া নিয়ে অহেতুক তর্ক শুরু করে এবং আমার কাছে টাকা দাবি করে অন্যায় ভাবে মামুন । মায়ের চিকিৎসা টাকা খরচ হয়েছে টাকা নেই বলতে আমাকে মারতে আসে এবং হুমকি দেয়। অনেক বছর যাবত মাদক সেবন করতে করতে আমার ভাইয়ের মাথায় সমস্যা এলাকার প্রায় সবাই জানে । আমার নিজ টাকা দিয়ে বিভিন্ন সময় মেডিকেল,, রিহ্যাব,, করানোর পরও পরিবর্তন নেই। আমাদের পারিবারিক এই দুর্বলতা পুঁজি করে ৩ নং আসামী মাসুদ করিম মোল্লা যাহার কর্ম পূর্বে মিশুক ড্রাইভার ছিল এখন বিএনপির নেতা দাবি করে এলাকায় চাঁদাবাজি করার জন্য একটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ তৈরি করে । সে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি কাজ করা শুরু করেছে। আমার কাছে মায়ের চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা ব্যাংকের চেক বই সহ বাসায় আসার পথে আমার ভাই মামুন জানত ও টেলিফোন করে মাসুদ গ্রুপ কে জানিয়েছে বলে জানান অভিযোগকারী। থানায় মামলা করায় ১ নং আসামী আমার মেজ ভাই আমেরিকান প্রবাসী মো. শরীফের কাছে আমাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে ভয়েস করে পাঠায় মামলা দিয়ে কি হবে টাকা দিয়ে জামিন নিয়ে চলে আসব অথবা ১৫ দিন জেল খেটে আসবো । তারপর কুচু কুচু করে কাটবো তোর ভাইকে। শুধু তাই বলেই থেমে নেই আমার বাসায় আমার ভাড়াটিয়া ছাত্রী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের নিয়ে এই চাঁদাবাজ গ্রুপটি নোংরা মন্তব্য করতেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে। বৃদ্ধ মা থাকে ওই বাসাতে আমি থাকি মিরপুর ১২নং ডিও এইচ এস । পুরো বাড়িটার খেয়াল মা রাখতে পারেনা। কারণ তিনি অসুস্থ আর আমি যদি না আসতে পারি বাসায় তাহলে উশৃংখল মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারী একটি চক্র আমার বাড়িতে পুরোপুরিভাবে দখল করে নিতে পারে। ২০ এপ্রিল রবিবার আদালত থেকে ৫ আসামী অগ্রিম জামিন নিয়ে আসে এবং বিভিন্ন লোক মারফত আমি বাড়িতে আসে কি না বা কোথায় আছি কোথায় থাকি খোঁজখবর নিতে শুরু করে । আমার হাত পা কেটে ফেলবে। উক্ত মামলাটি ১৮ই এপ্রিল কোর্টে প্রেরণ করা হয় এত দ্রুত জামিন নিয়ে আসে যে জায়গায় কোন আসামি অ্যারেস্ট হয়নি অথচ মহামান্য আদালত পাঁচজন আসামি কে অগ্রিম জামিন দিয়ে দেয়। জামিন নিয়ে আসা ওই সব মাদক সেবনকারী উশৃংখল মাদক ব্যবসায়ী দলটি বিভিন্ন জায়গায় আমাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে আমি মিরপুর ডি ও এইচ ১২ নম্বরে বাসায় এক প্রকার গৃহবন্দী হিসেবে আছি। তাই বাংলাদেশ সাংবাদিক সোসাইটি হেড অফিস মিরপুর ১ই২ ডিওএইচ গিয়ে অভিযোগ করি এবং তাহাদের মাধ্যমে জানাইতে চাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, র ্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন,, বাংলাদেশ পুলিশ ডিবি,, আপনারা সন্ত্রাস চিহ্নিত করতে চাইলে বা চাঁদাবাজ ধরতে চাইলে আমার মত একজন নিরীহ মানুষকে যেভাবে জিম্মি করে আমার বাড়িতে ভাড়া নেওয়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মেয়েদের নামে বদনাম ছড়িয়ে কিশোর গ্যাং গ্রুপ সরদার মাসুদ করিম মোল্লা । বাড়িটি ফাঁকা করার এক ন্যাক্কার জনক পরিকল্পনা সৃষ্টি করেছে। আমার ভাইয়ের মাথায় সমস্যা,, বিনা টাকায় মাদক খেতে দিলে যতক্ষণ খুশি এই বাড়িতে মাদক সেবন করতে পারবে যে কোন মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবনকরে। বাড়িতে একটি মাদক সেবন ও বেচাকেনার ক্লাবে পরিণত করার লক্ষ্যে বিএনপি নেতা দাবি করা চাঁদাবাজ মাসুম করিম মোল্লা আমার ভাইয়ের মাথায় সমস্যাকে পুঁজি করে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন,, তদন্ত করেন,, মাসুদ করিম মোল্লা অনেক বছর আগে মিশুক ড্রাইভার ছিল বর্তমান,,,.? তার বাবার রেখে যাওয়া তিন রুমের টিন সেট একটি বাড়িতে পরিবারের সকলকে নিয়ে বসবাস করে কিন্তু তার পরিবারের উপার্জনের উৎস কোথায়...? অন্যান্য আসামিদের আয়ের উপার্জন কি,,,? ৪ নং আসামী ইমরান, পিতা অজ্ঞাত আমাদের এলাকায় কোন বাসায় যেন ভাড়া থাকে আমরা জানিনা কর্ম কি তাও জানিনা,,,? উশৃংখোলে মাদক সেবনকারী দলটি যেহেতু আমার ভাইকে মাদকের লোভ প্রণয়নে আমার শরীর জখম করতে পারেছে তখন আমার বৃদ্ধ মায়ের নিরাপত্তা কোথায়।। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষনে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে,, মহামান্য আদালতের কাছে এই মামলায় জামিন পাওয়া আসামিদের জামিন বাতিল ও সুষ্ঠ তদন্তে দাবি করছি এবং উক্ত সংবাদটি সংবাদমাধ্যমে প্রচারে অনুরোধ করছি। এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় ঘটনাটা সত্যতা,, বাড়িটিতে থাকা মেয়েদের সম্বন্ধে ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়ায় নোংরা মন্তব্য করা হয়েছে,, আসামিগণ প্রত্যেকেই মাদক সেবনকারী,, ঘটনার দুই তিন দিন আগে মোঃ কামরুল ইসলাম সরকারের নামে একটি ফেসবুক ফেক অ্যাকাউন্ট খোলা হয় যেখানে আওয়ামী লীগ নেত্রীর শেখ হাসিনার বিভিন্ন পোস্ট দেখানো হয়,,, মাসুদ করিম মোল্লা ফেসবুক একাউন্ট নিয়ে কামরুল ইসলামকে ভয় দেখানো,, উক্ত facebook ফেক একাউন্টের নামে জিডি উক্ত থানায়।। আমাদের প্রতিনিধি ঘটনার সত্যতা জানতে তরিকুল ইসলাম আল মামুন এর নাম্বারে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করতে চাইলে উক্ত ফোনটি বন্ধ দেখানো হয় তাই মানুষের জীবনে নিরাপত্তার জন্য বিচার বিভাগ এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সংবাদটি প্রচার করা হলো।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.