আওয়ামীলীগের দোসর এবং ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার নীল কমল শাহ স্টেনো টাইপিষ্ট হিসেবে চাকরি করেন কর অঞ্চল-৯ উত্তরার অফিসে। চাকরি শুরু থেকে অদ্যাবধি থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি, তদবি ঘুষ বাণিজ্য মাধ্যমে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা মালিক বনে গেছেন । সেই অর্থের বেশি ভাগ অংশ অবৈধ ভাবে ভারতে পাচার করেছেন । তার বিরুদ্ধে কি করতেছেন অগণিত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন অভিযোগে জানা গেছে।
তদন্ত পূর্বক নীল কমলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি অভিযোগকারী আহ্বান। তিনি গ্রাহকদেরকে জিম্মি করে বিভিন্ন সুকৌশলী অর্থ হাতিয়ে নিয়ে চাকরি শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোটা অংকের উপার্জন করে নামে- বেনামে অঢেল সম্পদ গড়েছেন বলে একাধিক অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে। কে এই কমন আর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? তার খুঁটি দূর কোথায় সাধারণ গ্রাহকরা জানতে ইচ্ছুক । আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলেও কিন্তু নীল কমলের বাহাল তরিয়তে এখনো রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে জোরালো ভাবে তদন্ত শুরু করলে আরো অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে তার দুর্নীতি চিত্র । অভিযোগকারীর মাধ্যমে আরো জানা যায়, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই নীল কমল একের পর এক দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্রাহকরা তার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন । এমনকি দালালের মাধ্যমেও অবৈধভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে সুকৌশলে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে নীল কমল । তার এই দুর্নীতি কবে শেষ হবে !এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড শাখা) অর্থ মন্ত্রণালয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কার্তি কুমার নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানান,কমল শাহ,স্টেনো টাইপিস্ট কর সার্কেল-১৮৩, অঞ্চল-৯,উত্তরা,ঢাকায় কর্মরত আছেন। তিনি আওয়ামীলীগ এর দোসর এবং ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার হওয়ায় সেই ক্ষমতাকে ব্যবহার করে,ঘুষ দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসা ও জনগণের ফাইল আটক রেখে অবৈধ ঘুষের টাকার বিনিময়ে অবৈধ কাজকে বৈধ করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন। তিনি এ কয়েক বছরে ভারতে কয়েক কোটি টাকা পাচার করে সেখানে ও বাড়ী গাড়ী গড়ে তুলেছেন। তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করেন।
তিনি সেখানে আওয়ামীলীগ এর এমপি ও মন্ত্রীদের তার ভারতের বাসায় আশ্রয় দিয়েছেন। সেখানে আওয়ামীলীগ এর নেতারা নিয়মিত বসাবাস করে এবং মিটিং করেণ। ভার পিতার নাম- প্রাণ বল্লব শাহা, মাতার নাম-কাঞ্চন শাহা,তার জাতীয় পরিচপত্র নং- ১৯৮৯৯৩১২৮৫১৬০১৩৮৫, জন্ম তারিখ- ০১/০১/১৯৮৯ইং, তার টিন নং- ৫৫৫০৯৭৩৩৯৪৭৬,কর সার্কেল- ১৮৬, কর অঞ্চল-৯,ঢাকা। তা স্থায়ী ঠিকানা:গ্রাম-সূর্য সাহার বাড়ী, ডাকঘর-কদমতলী, থানা-গাটাইল,জেলা-টাঙ্গাইল। তিনি ছাত্রলীগের ক্যাডার হওয়ায় সাবেক এমপি ছোট মনির ও একাব্বর এমপি সহ টাঙ্গাইলের সমস্ত এমপিদের সঙ্গে আতায়াত করে সরকারি চাকুরীতে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। তিনি সামান্য বেতনে চাকুরী করে অল্প দিনে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তিনি ভারতে পশ্চিম ভঙ্গে বাড়ী গাড়ী কয়েক বিঘা জমির মালিক হয়েছেন। তার এই অবৈধ ক্ষমতা ও অবৈধ টাকার উৎস প্রতিত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলের ফল। তার ধানমন্ডীতে একটি আলিশান ফ্ল্যাট রয়েছে। বনানীতে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
তিনি আরও জানান,তারা পারিবারিক ভাবে আওয়ামীলীগ হওয়ায় ভারতের সুবিধা নিয়ে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশের প্রভাব বিস্তার করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দালালী করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। কর অঞ্চলে চাকুরী তার একটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন। কমল একজন অহংকারী হওয়ায় তার এলাকায় অধিকাংশ মানুষের সঙ্গে তিনি ভাব দেখিয়ে চলেন। তিনি একটি বিলাশবহুল গাড়ী ব্যবহার করেন যার মূল্য প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। গাজীপুরের টঙ্গী বাজারে তার একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী রয়েছে। উত্তরায় ১৫ নং সেক্টরে তার একটি বহুতল বাড়ী রয়েছে। এচাড়া টাঙ্গাইলের গাটাইলে তিনি ৫০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন।
তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতা এখনও কর অঞ্চল-৯ এ ব্যবহার করে থাকেন। তিনি একজন দুর্নীতি বাজ কর্মচারী বলে কর অঞ্চলের সকলের নিকট পরিচিত তার প্রভাব পত্তির কারনে কর অঞ্চলের কর দাতারা নিয়মিত হয়রানি শিকার হচেছন। তিনি দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলে কর দাতাদের সঙ্গে নিয়মিত হয়রানি করে ঘুষ দুর্নীতি করেই যাচ্ছেন এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সমস্ত তথ্য ভারতে পাচার করতেছেন। তার বিরুদ্ধে অতি দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে তাকে আইনের আওতায় আনায়ন করা খুবই জরুরী। করণ তিনি এখনও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ এর এমপি মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেই চলছেণ। তিনি পলাতক এমপিদের বাড়ী ও অবৈধ সম্পদ দেখা শুনার দায়িত্ব গ্রহন করছেন। তার বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা পূর্বক কাজ করার জন্য অনুরোধ করছি। দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্যেরে অভিযোগে সম্পর্কে নীল কমলের সাথে মোটু ফোনের যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় পাওয়ার পর তিনি মোবাইল ফোন কেটে দেন ।এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.