সন্ধ্যা নামার পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওর বেষ্টিত নাসির নগর উপজেলার দেখা দিচ্ছে মশার উপদ্রব। স্থানীয়দের জনজীবন মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। নাই কোন দৃশ্যমান প্রতিকার।
মশার উপদ্রব এতটাই বেড়েছে যে এলাকাবাসী রীতিমতো ডেঙ্গু ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। মশার যন্ত্রণায় ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনা।
সচেতন মানুষ বলছেন- মশক নিধন কর্মসূচি না থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে।
উপজেলা সদর এলাকার বাসিন্দারা জানান, মশার উপদ্রবে সন্ধ্যার পর ঠিকভাবে কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিকাল হলেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রেখেও নিস্তার মিলছে না। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বেশি বিপাকে আছেন অভিভাবকেরা। এলাকায় যত্রতত্র ময়লার স্তুপ, ড্রেনে জমে থাকা পানি ও ময়লা পরিস্কার না করার কারণে মশা বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা সদরের পশ্চিম পাড়ার এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম তিনি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনকে বলেন, দিনে রাতে সমানতালে উপদ্রব চালাচ্ছে মশা। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। মশা নিধনে কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। দেশজুড়ে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করলে পাশের উপজেলায় মশক নিধন অভিযান চালালেও এখানে কোনো কিছুই করা হয়নি। যদি মশা নিধনে এখনই কোনো ব্যাবস্থা নেয়া না হয় তাহলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ নানা সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। আসলে জনগণের প্রতি পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, সারাদিন অফিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। দিনের বেশিরভাগ সময় অফিসেই কাজ করি। কিন্তু মশার উৎপাতে ঠিকমতো কাজ করতে পারি না। মশা তাড়াতে কয়েল ব্যবহার করেও কাজ হয় না।
ব্যাবসায়ী মোঃ সোহেল বলেন, মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে গেলাম। সন্ধ্যা নামলেই মশা কানের পাশে গান বাজাতে থাকে। সারাদিন ব্যবসার কাজে ব্যাস্ত থাকার পর বাড়িতে গিয়েও শান্তি নেই মশার জন্য। কয়েল জ্বালিয়ে মশা তাড়াতে হয়। বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দেশজুড়ে। তাই সংশ্লিষ্টদের মশা নিধনের ব্যাপারে কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিৎ।
Email:-todaysomoysangbad@gmail.com
Copyright © 2026 টুডে সময় সংবাদ. All rights reserved.