রাজধানীর পুরান ঢাকার সুত্রাপুরে কাগজি- টোলা এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লিকেস থাকে বিস্ফোরণে দগ্ধ মোঃ রোকন (১৪) ও মোঃ তামিম (২২)জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা তিন ।
মঙ্গলবার(১৫ জুলাই)রাত পৌনে তিনটার দিকে ও বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল সোয়া ৮টার দিকে জাতীয় বার্নের হাই ডিফেন্সিভ ইউনিট (HDU)তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার(১০ জুলাই)দিবাগত রাত ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে তিনটায় জাতীয় বার্নওপ্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসলে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।
তাদেরকে নিয়ে আসা প্রতিবেশী জাকির হোসেন জানান,সুত্রাপুরে কাগজিটোলা এলাকার একটি বাসার নিচ তলায় গ্যাস লিকেস থাকে হঠাৎ বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়। পরে আমরা তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্নে নিয়ে আসলে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান,ওই বাসায় তারা নতুন ভাড়া নিয়েছে সিলিন্ডার গ্যাস ছিল তারা রাতে ঘুমিয়ে ছিল হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। এর বেশি আর কিছু বলতে পারব না বলেও জানান তিনি। দক্ত রিপন পেশায় ভ্যান চালক।
জাতীয় বার্নওপ্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক ডা.শাওন বিন রহমান জানান,পুরান ঢাকার সূত্রাপুর কাগজিটোলা একটি বাসায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণে
দগ্ধ পাঁচজন আমাদের এখানে এসেছে।রাত
দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে রোকনের মৃত্যু হয়,তার শরীরে ৬০শতাংশ দগ্ধ ছিল ও
বুধবার(১৬জুলাই)সকাল সোয়া ৮টার দিকে তামিমের মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৪২ শতাংশ দগ্ধ ছিল জাতীয় বার্নে হাই ডিফেন্সি
ইউনিট(এইচডিইউ ) তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে এক বছরের শিশু আয়েশার মৃত্যু হয় এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা তিন।এখনো দুইজন ভর্তি রয়েছে তারা হলেন,রিপনে৬০ শতাংশ দগ্ধ, রোকনের ৬০ শতাংশ দগ্ধ, ও চাঁদনীর ৪৫শতাংশ দগ্ধ তাদের সবার অবস্থায় অসংখ্য জনক বলে জানিয়েছেন তিনি।



















