কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আকিবকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিরপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আকিব মিরপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মিছিল ও শোডাউন করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মিরপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করলেও পরবর্তীতে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে লিখছেন যে, একদিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নাশকতার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে তাদের আটক করে আবার ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশেষ মহলের সুপারিশের কারণে আটককৃত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সহিংসতা বা নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।



















