রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের বিপরীতে চলন্ত ট্রেন থেকে ছিনতাইকারীরা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে অজ্ঞাতপরিচয় (৩৫) এক যুবক গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) তার মৃত্যু হয়।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী ফয়েজ ও ফাহাদ জানান, ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের বিপরীতে চলন্ত ট্রেনে ওই যুবকের ওপর ছিনতাইকারীরা হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির পর তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে ফেলে দিলে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান তিনি। পরে আমরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ওসেকে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে এক যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় গতরাতে হাসপাতালে এসেছিলেন। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারীরা বলেছেন, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় চলন্ত ট্রেনে ওই যুবক ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছিলেন। পরে তাকে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে ফেলে দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্তারিত পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি রেলওয়ে থানাকেও অবগত করা হয়েছে।



















