রাজধানী ও বিভিন্ন জেলায় ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বাসে আগুনের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নগরবাসীর মধ্যে। রোববার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত নয়টি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও তিনটি স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগের পর সোমবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টার দিকে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট এলাকায় দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত সরে পড়ে।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সূত্রাপুর ও মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতকারীরা। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে সেন্ট্রাল রোডে পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের বাসায় লক্ষ্য করে হেলমেট পরা এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে এসে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়-এমন দৃশ্য ধরা পড়ে সিসিটিভিতে। খবর পেয়ে বোম্ব স্কোয়াড ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বাসায় উপদেষ্টা উপস্থিত থাকলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ডিএমপি নিউমার্কেট জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে বাংলামোটরে রুপায়ন টাওয়ারে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। জনতা ধাওয়া দিলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। মতিঝিলের টিএন্ডটি বাসস্ট্যান্ড, কারওয়ানবাজারে সার্ক ফোয়ারার সামনে, ফার্মগেট রেলক্রসিং, সব জায়গায় একই ধরনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ায়। ফার্মগেটে চলন্ত ট্রেনে ককটেল নিক্ষেপের পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
মধ্য বাড্ডায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ডাম্পিংয়ে রাখা দুটি পরিত্যক্ত লেগুনায় অগ্নিসংযোগ করা হয়।



















