টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Wednesday , 6 May 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জে কৃষি অফিস থেকে এয়ার ফ্লো মেশিন নিয়ে বিপাকে কৃষক

প্রতিবেদক
মোঃ হামিদুজ্জামান জলিল
May 6, 2026 6:06 pm

➡️ টাকা ফেরৎ পেতে কৃষক হয়রানির শিকার
➡️ মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ব্যর্থ
➡️ কর্মকর্তাদের দায়িত্বে শিথীলতাকে দায়ী করছেন কৃষক

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলায় কৃষি অফিসের মাধ্যমে ১৫ জন কৃষক পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য “এয়ার ফ্লো মেশিন ” সংগ্রহ করে বিপাকে পড়েছেন। বাংলাদেশ পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ু প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্পের অধীনে ১৬ মার্চ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫ জন কৃষকের মাঝে কৃষি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে “এয়ার ফ্লো মেশিন” বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

এজন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট থেকে ২০ হাজার করে টাকা অগ্রিম গ্রহণ করা হয়। এর পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এসম্পর্কিত এক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকরা জানতে পারেন মেশিন গ্রহণকারী প্রত্যেকের জন্য প্রকল্পে ২৭ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দেরে সম্পূর্ণ অর্থ পাওয়া তো দূরের কথা মেশিন নেয়ার জন্য যে ২০ হাজার টাকা দীর্ঘ প্রায় দুই মাস পূর্বে কৃষকরা দিয়েছিল ওই টাকাও এখনো পর্যন্ত ফেরত পায়নি।

ফলে একদিকে কৃষকরা যেমন টাকা ফেরত পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন অন্যদিকে, প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মাঠ পর্যায়ে মেশিনটি স্থাপন করে পেঁয়াজ সংরক্ষণ না করার কারণে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আর এজন্য ভুক্তভোগী কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা বা শিথীলাতাকে দুষছেন। উপজেলার জটারপাড়া গ্রামের ভুক্তভুগী কৃষক আসলাম হোসেন বলেন,আমাদের ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে আমরা দুইজন বিশ হাজার করে টাকা কৃষি অফিসে জমা দেয় এয়ার ফ্লো মেশিন এর জন্য। ওই সময় আমাদেরকে বলা হয় এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাদের টাকা আপনারা পেয়ে যাবেন। কিন্তু আজ প্রায় দুই মাস হয়ে গেল কৃষি কর্মকর্তা আমাদের টাকা নিয়ে নয় ছয় করছেন।

এতগুলো টাকা আটকে রয়েছে তার উপর আবার এই মেশিন লাগাতে আরো টাকা খরচ হবে। টাকা না থাকায় মেশিনটি আমি বাড়িতে স্থাপন করতে পারিনি। যে কারণে গত মৌসুমে পেয়াজও সংরক্ষণ করতে না পেরে অল্পদামে বিক্রি করে দিয়েছি। আরেকজন ভুক্তভোগী ডুমুরতলা গ্রামের ওলিয়ার রহমান জানান, ২০ হাজার টাকা দিয়ে আমি কৃষি অফিস থেকে একটি মেশিন নিয়েছি, মেশিনটির স্থাপন করতে আমার আরো ছয় হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কৃষি অফিসে দেওয়া টাকা এখনো ফেরত পায়নি।আজ দেই কাল দেই বলে খালি ঘুরাচ্ছে। কৃষকের টাকা নিয়ে এভাবে ঘুরালে হবে?

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রকল্প থেকে টাকা এখনো ছাড় হয়নি, যে কারণে কৃষকদের টাকা পেতে দেরি হচ্ছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি। এখানে আমাদের কোনো ত্রুটি নেই।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, বিষয়টি আমি জানলাম মাত্র। খোঁজখবর নিয়ে কৃষকরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ

শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত নাসিরনগরের দিন-মজুরি ও সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষ

আল-আকসায় ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই জাদুঘর না খুললে জনগণই খুলে নেবে: নাহিদ ইসলাম

ডিএসসিসি প্রশাসক হুট করে ফুটপাতের হকার উচ্ছেদ নয়, ঢাকায় হবে ৮টি নৈশ মার্কেট

মার্কিন ঘাঁটিগুলো এবার ‘নরক’ দেখবে: ইরান

হরমুজ প্রণালি অবশ্যই খুলবে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়

রাজারহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী কল্যাণ সংগঠনের অফিস উদ্বোধন

কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনে ঘটনায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি ১

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালালো হিজবুল্লাহ