টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Tuesday , 25 August 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের পোশাকে দায়িত্ব, আর বাসায় ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা?

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
August 25, 2026 2:44 pm

রাজধানীর দক্ষিণখানে মাদক কারবারের অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের পল্লবী থানার এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে মোট ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে ওয়াসিমকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যায় ৫০ পিস ইয়াবা। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে এএসআই শফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২০০ পিস ইয়াবা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

এরপর তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিসমিল্লাহ পল্লীর ৬৭ নম্বর নূর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ৫ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা। সব মিলিয়ে জব্দ করা হয় ৫ হাজার ৩১০ পিস। তথ্যসূত্র যুগান্তর।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন রাজধানীর দক্ষিণখান ও আশপাশের এলাকায় ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন। তবে আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এটি অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

ঘটনার আরও একটি দিক বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পল্লবী থানার কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এএসআই শফিকুল ইসলাম থানায় যোগ দেওয়ার পর নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিলেন না। তাঁকে অনুপস্থিত দেখিয়ে আগেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। একটি প্রতিবেদনে পল্লবী থানার ওসির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, যোগদানের পর তিনি সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় শফিকুল ও ওয়াসিম ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখানেই।

যদি তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে একজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন? তিনি যদি দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতই থাকেন, তাহলে সেই সময়ে তাঁর অবস্থান ও কর্মকাণ্ড কেন আরও আগে নজরদারিতে আসেনি?

এখন প্রয়োজন শুধু গ্রেপ্তার নয়, পুরো চক্রের সন্ধান বের করা। ইয়াবাগুলো কোথা থেকে এসেছে, কার কাছে যাওয়ার কথা ছিল, এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং একজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় বা পদ কি এই কারবারে কোনো ধরনের সুরক্ষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, তদন্তে এসব প্রশ্নের উত্তরও সামনে আসা জরুরি।

কারণ একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ নয়, এটি আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গেও জড়িত।

#crime #Corruption

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

হাসিনা-আজিজ-বেনজীরসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

“টুডে-সময় সংবাদে” সংবাদ প্রকাশের পর মিরপুর বিআরটিএ-তে কর্মরত আনসার কমান্ডার আল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৭ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে 

হামলার মধ্যেই পুরোদমে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি চালিয়ে যাচ্ছে ইরান

মন্ত্রণালয়ে ভাইভা দিতে এসে ৪ ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণায় থাকছেন ৭০০ সাংবাদিক

হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম

ঢাকা-১৪. বিএনপিসহ ত্রিমুখী প্রার্থিতায় পাল্টে গেছে ভোটের সমীকরণ, তবে সাজুর জনসমর্থন এগিয়ে

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না ফিটনেস সনদ

একই পরিবারের চার রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভাইয়ের মৃত্যুতে রাঙ্গুনিয়ায় শোকের মাতম

ভারতে মুসলমানরা নিরাপদ নয়: জামায়াত আমির