টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Friday , 17 October 2025 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢামেক হাসপাতালে শিপন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ কর্মচারীরা আতঙ্কে, রোগীরা জিম্মি! 

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
October 17, 2025 11:15 am

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঢামেক হাসপাতালে সরকারি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মেডিকেল ইউনিটের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শিপন আওয়ামী লীগ নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করছে।

এবং মেডিকেলে ইউনিটের আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ রমিজের সঙ্গে সমিতির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার না থাকায় শিপন এখন বিএনপি নেতা কর্মীদের সঙ্গে তাল মিলাচ্ছেন। আসলেই তিনি যে কোন দলের লোক জনগণ ও মেডিকেলের নেতাকর্মীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে । শিপন নিজেকে বাঁচার জন্য দল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে মিলেমিশে সমিতির কার্যক্রম চালিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তন হওয়ার কারণে তিনি হয়ে গেলেন বিএনপির নেতা । অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার কে এই শিপন ! এখন তিনি বিএনপির মেডিকেলে ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মিটিং মিছিলে দেখা যাচ্ছে। সেই মিটিং মিছিলে বড় বড় বুলি ছাড়ছেন ।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

বিগত সরকারের আমলে তার এই বুলি কোথায় ছিল। ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বাবা- মার চাকুরী সূত্রে মোহাম্মদ শিপন অষ্টম শ্রেণী পাশ দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ বিনিময় ( এম এল এস এস) চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী হিসেবে মোহাম্মদ শিপন চাকরি নেয়। তার এই চাকরি শুরু থেকেই পুরো হাসপাতালটি জিম্মি বানিয়ে রেখেছেন। এককালে হাসপাতালের ভিতরে জমজমাটভাবে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা চালিয়ে গেছেন। গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও চাকরি চালিয়ে গেছেন। উপ-পরিচালকের সিন্ডিকেটের সদস্যরা পদোন্নতি বাণিজ্যও করেছেন মোটা অংকের অর্থ বিনিময় । বর্তমানে নিজেকে বিএনপি’র সক্রিয় নেতা হিসেবে আবারো হাসপাতালে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। হাসপাতালে ওয়ার্ড মাস্টার রিয়াজ উদ্দিন সহ অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। হঠাৎ করে পদোন্নতি নিয়ে ওয়ার্ড মাস্টার হয়েছেন। হট মাস্টার হওয়ার পর দায়িত্ব পাল জরুরী বিভাগে এলাকায়। এরপর সাধারণ কর্মচারীদের উপর শিপনের চলে অত্যাচার । কর্মচারীদের ওয়ার্ড বদলি বাণিজ্য শুরু করে তিনি।

এছাড়াও হাসপাতালের আশপাশে ফুটপাতের দোকানগুলো থেকেও চাঁদাবাজি শুরু করেছে শিপন সিন্ডিকেটের সদস্যরা। হাসপাতালের ভিতরে যত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে নিয়ন্ত্রণ করছে শিপন সিন্ডিকেটের সদস্যরা । মোটা অংকের অর্থ নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে দিচ্ছি। এমনকি হাসপাতালের আশপাশে কোন খালি জায়গা থাকলে দোকান বানিয়ে ভাড়া দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাধারণ অনেক কর্মচারী অভিযোগ করে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে শিপনসহ তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা বেপরোয়ার হয়ে গেছেন। সে এখন কর্মচারীদের নেতা হয়েও নেতার মত কাজ করছেন না তিনি এখন নিজেকে বিশাল নেতা হিসেবে অর্থের পিছনে দৌড়াচ্ছেন। তার কারণে আজ সাধারণ কর্মচারীরা অসহায়ের মত দিন কাটাচ্ছেন। ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সমিতির বিতাড়িত সভাপতি ও মেডিকেলের ইউনিটির আ’লীগের সভাপতির অভিযোগের মাধ্যমে জানা যায়, আমরা যখন ক্ষমতায় ছিলাম তখন সাধারণ কর্মচারীদের উপর এত অত্যাচার হয়নি। বর্তমানে তারা যেভাবে শুরু করেছেন তা ভবিষ্যৎ কর্মচারীরা অন্ধকার দেখছেন।

বর্তমানে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে ব্যাপক হারে সাধারণ কর্মচারীদের উপর অত্যাচার এবং অর্থের বিনিময় ওয়ার্ড বদলির বাণিজ্য চালাচ্ছে। এমনকি সমিতির উন্নয়নের নামে হাসপাতালের আশপাশে খালি জায়গায় দখল করে দোকান বানিয়ে ভাড়া দেওয়া পায় তারা করছে। যে শিপনের এককালে তেমন কিছু ছিল না এখন সে প্রায় কয়েক কোটি টাকার মালিক। তাদের সিন্ডিকেট এর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে হাসপাতালে পরিচালক ও উপ-পরিচালক সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। হাসপাতালে অফিসের একজন কর্মকর্তা জানান, বিগত সরকারের আমলে হাসপাতালে সহকারী পরিচালক বর্তমানে উপ-পরিচালক দায়িত্ব পালন করছেন তিনিও সাধারণ কর্মচারীদের উপরে অনেক অত্যাচার করেছে। তিনি অবৈধভাবে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন টেন্ডার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

বর্তমানে বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে তাল মিলিয়ে চলছেন তিনি। হাসপাতালে কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেটকে চালাচ্ছেন ওই উপ-পরিচালক। হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাধ্যমেই চলছে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অপকর্মের কর্মকান্ড। এই সিন্ডিকেটের কাছে হাসপাতালে আগত রোগীরাও জিম্মি হয়ে পড়েছেন। পুরো হাসপাতালটি ওই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। এইসব সিন্ডিকেটের হাত থেকে হাসপাতালকে রক্ষা করতে হলে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি থাকতে হবে ।

সিন্ডিকেটের মূল হোতা মোহাম্মদ শিপনের দুর্নীতি ও অপকর্ম কর্মকাণ্ড লিখে শেষ করা যাবেনা। এ এতই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ৫ আগস্টের পর থেকে ঢামেক হাসপাতালে ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা অনেক সাংবাদিকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করেছেন। এখন পুরো হাসপাতালটাই তাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে।

এ বিষয়ে শিপনের সাথে মোবাইল-ফোনে  জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হয় নি।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন

চিকিৎসকদের উপর হামলার প্রতিবাদে ঢামেকে মানববন্ধন তিন দফা দাবি

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে জমে উঠেছে তারকাদের প্রতিযোগিতা

নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে নিচে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

রেল ও লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি: মন্ত্রী

রুমিন ফারহানাকে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা দেওয়া বিএনপির ১৫০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শত শত পুরুষের সামনে অন্তর্বাস পরে নেচেছিলেন দিয়া!

দক্ষিণ বুড়িশ্চর শ্রীশ্রী মগধেশ্বরী সেবাখোলা মন্দিরে ২৫ বছর পূর্তি রজতজয়ন্তী ও অষ্টপ্রহরব্যাপী মহোৎসব

তিতুমীর কলেজে ছাত্রী বহিষ্কারের জেরে বিক্ষোভ, রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি

শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস