টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Tuesday , 3 February 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ,দুর্নীতি ও অপকর্মের মাধ্যমে গড়েছে সম্পদের পাহাড়,‘দালাল সিন্ডিকেটের মূল হোতা, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ মোটরযান পরিদর্শক রাসেল

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
February 3, 2026 5:43 pm

বাংলাদেশ রোড টান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) রাজধানীর ঢাকা মেট্রো-৪ এর মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ রাসেল আহমেদের দুর্নীতি ও অপকর্মের চিত্র উঠেছে । ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। তিনি দালালদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন বলে একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগে আরো জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে একের পর এক দুর্নীতি– অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এবং দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন রাসেল। সেই সব দালাল দিয়েই প্রতিনিয়তী গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে গ্রাহকদের টাকা হাতে নিচ্ছেন রাসেল। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের অর্থ। সেই অর্থ ওইসব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও ভাগ নিচ্ছেন বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

কে এই রাসেল আহমেদ তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেনো ?

এই রাসেল সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে কোটি-কোটি টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে অঢেল সম্পদ গড়েছেন তিনি। বর্তমানে জামাতের নেতাকর্মীদের সাথে পরিকল্পিত কৌশলে  সঙ্গ দিচ্ছেন রাসেল আহমেদ। এছাড়া রাসেল বহুরূপী বলে গ্রাহকদের একাধিক অভিযোগ ও গ্রাহকদের কাগজপত্র নিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে রাসেল। এবং রাসেলের  দালালরা ওইসব গ্রাহকদের সঙ্গে সুকৌশলে কথাবার্তা বলেন । একপর্যায়ে দালালরাই কাগজপত্র নিয়ে রাসেল আহমেদের কাছে চলে যান। রাসেল ওকে বললে তখন দালালরা গ্রাহকদের সাথে টাকা নিয়ে দর কষাকষি  করেন।গ্রাহকরা এক পর্যায়ে তাদের কাছে অসহায়ের মত জিম্মি হয়ে পড়েন। তবে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাদের মাধ্যমে কাজ করতে হয়। এভাবেই চলছে রাসেল আহমেদের দুর্নীতি ও অপকর্মের হালচাল।

এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে (বাংলাদেশ সচিবালয়) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.আমির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,ফিটনেস শাখায় ঢাকায় কর্মরত। তিনি ইতি পূর্বে পূর্বের কর্মস্থলে নানান প্রকার দুর্নীতি- অপকর্মের করে সেখানে দালালদের সিন্ডকেট গড়ে তুলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিআরটিএ-ঢাকা মেট্রো-৪ যোগদান করার পর থেকেই গ্রাহকদের হয়রানি করে দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দালালদের মাধ্যমে গ্রাহক হয়রানি করে গ্রাহকদের ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।

তার অপকর্ম ও ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়ে গ্রাহক আব্দুল আজিজ,ফরিদ উদ্দিন,মোশারফ হোসেন,রিংকু আহমেদ আজাদ,ছগির আহম্মেদ,এনায়েত উল্লা,মুসা মিয়া,হুমায়ুন কবির সহ আরো অনেক গ্রাহক এর নিকট জানা যায় যে, রাসেল আহমেদ কখনই ঘুষের টাকা ছাড়া গাড়ীতে ফিটনেস দেন না। তার সঙ্গে ঘুষের টাকা সংগ্রহের জন্য একাধিক দালাল চক্র রয়েছে। রাসেল নিজেকে দরবেশ মনে করেণ। বাস্তবে তিনি বড় ঘুষখোর বলে বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

রাসেল এর বাবার নাম-বশির আহমেদ, স্ত্রীর নাম-উন্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭,তার ঠিকানা: গ্রাম-চর কুমারিয়া, উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া,থানা+জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫,কর অঞ্চল-০৩, ঢাকা।

রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের ফ্ল্যাট, প্লট,গাড়ী,বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। রাসেল আহমেদ গ্রাহক হয়রনির মাষ্টারমাইন্ড বলে অধিকাংশ গ্রাহক অবগত আছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে।

তিনি আরও জানান,রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর সকল গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে গ্রাহক হয়রানি থেকে রেহাই পাবে।

রাসেলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যানসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আহ্বান করছি । এ বিষয়ে বিআরটিএ’র ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুজ্জামান ভূঁইয়া কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাইনি । তবে লিখিত অভিযোগ পেলে রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । তারপরও আমরা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো ব্যাপারে খেয়াল রাখছি ।

এছাড়া অভিযোগকারী বলেন, তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জন্য।

বাংলাদেশ রোড টান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) রাজধানীর ঢাকা মেট্রো-৪ এর মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ রাসেল আহমেদের দুর্নীতি ও অপকর্মের চিত্র উঠেছে । ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। তিনি দালালদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন বলে একাধিক অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগে আরো জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নেতাকর্মীদেরকে ম্যানেজ করে একের পর এক দুর্নীতি– অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এবং দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন রাসেল। সেই সব দালাল দিয়েই প্রতিনিয়তী গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে গ্রাহকদের টাকা হাতে নিচ্ছেন রাসেল। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের অর্থ। সেই অর্থ ওইসব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও ভাগ নিচ্ছেন বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।

কে এই রাসেল আহমেদ তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেনো ?

এই রাসেল সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে কোটি-কোটি টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়ে অঢেল সম্পদ গড়েছেন তিনি। বর্তমানে জামাতের নেতাকর্মীদের সাথে পরিকল্পিত কৌশলে  সঙ্গ দিচ্ছেন রাসেল আহমেদ। এছাড়া রাসেল বহুরূপী বলে গ্রাহকদের একাধিক অভিযোগ ও গ্রাহকদের কাগজপত্র নিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে রাসেল। এবং রাসেলের  দালালরা ওইসব গ্রাহকদের সঙ্গে সুকৌশলে কথাবার্তা বলেন । একপর্যায়ে দালালরাই কাগজপত্র নিয়ে রাসেল আহমেদের কাছে চলে যান। রাসেল ওকে বললে তখন দালালরা গ্রাহকদের সাথে টাকা নিয়ে দর কষাকষি  করেন।গ্রাহকরা এক পর্যায়ে তাদের কাছে অসহায়ের মত জিম্মি হয়ে পড়েন। তবে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তাদের মাধ্যমে কাজ করতে হয়। এভাবেই চলছে রাসেল আহমেদের দুর্নীতি ও অপকর্মের হালচাল।

এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে (বাংলাদেশ সচিবালয়) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো.আমির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,ফিটনেস শাখায় ঢাকায় কর্মরত। তিনি ইতি পূর্বে পূর্বের কর্মস্থলে নানান প্রকার দুর্নীতি- অপকর্মের করে সেখানে দালালদের সিন্ডকেট গড়ে তুলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিআরটিএ-ঢাকা মেট্রো-৪ যোগদান করার পর থেকেই গ্রাহকদের হয়রানি করে দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলে দালালদের মাধ্যমে গ্রাহক হয়রানি করে গ্রাহকদের ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।

তার অপকর্ম ও ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়ে গ্রাহক আব্দুল আজিজ,ফরিদ উদ্দিন,মোশারফ হোসেন,রিংকু আহমেদ আজাদ,ছগির আহম্মেদ,এনায়েত উল্লা,মুসা মিয়া,হুমায়ুন কবির সহ আরো অনেক গ্রাহক এর নিকট জানা যায় যে, রাসেল আহমেদ কখনই ঘুষের টাকা ছাড়া গাড়ীতে ফিটনেস দেন না। তার সঙ্গে ঘুষের টাকা সংগ্রহের জন্য একাধিক দালাল চক্র রয়েছে। রাসেল নিজেকে দরবেশ মনে করেণ। বাস্তবে তিনি বড় ঘুষখোর বলে বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

রাসেল এর বাবার নাম-বশির আহমেদ, স্ত্রীর নাম-উন্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭,তার ঠিকানা: গ্রাম-চর কুমারিয়া, উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া,থানা+জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫,কর অঞ্চল-০৩, ঢাকা।

রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের ফ্ল্যাট, প্লট,গাড়ী,বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। রাসেল আহমেদ গ্রাহক হয়রনির মাষ্টারমাইন্ড বলে অধিকাংশ গ্রাহক অবগত আছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে।

তিনি আরও জানান,রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর সকল গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে গ্রাহক হয়রানি থেকে রেহাই পাবে।

রাসেলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা, সচিব, চেয়ারম্যানসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আহ্বান করছি । এ বিষয়ে বিআরটিএ’র ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুজ্জামান ভূঁইয়া কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাইনি । তবে লিখিত অভিযোগ পেলে রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । তারপরও আমরা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ গুলো ব্যাপারে খেয়াল রাখছি ।

এছাড়া অভিযোগকারী বলেন, তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জন্য।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল, শুনানি ১৭ নভেম্বর

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে মাদক বিরোধী অভিযানে ২২ কেজি গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ২ জন

ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন

সময় টিভির পরিচালক আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার তীরে ব্যতিক্রমী আয়োজনে নূরুল ইসলাম বুলবুলের জনতার ইশতেহার ঘোষণা

নাসিরনগর উপজেলা যুব এসোসিয়েশন ঢাকার কমিটি গঠন

জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনের মৃত্যু জাতীয় বার্নে ১৫ ও ঢাকা মেডিকেলে ১জন এই নিয়ে ১৬জনের মৃত্যু

প্রথম কর্মদিবসে ৯টা ১ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে করলেন ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী