ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরান চীন থেকে ১ হাজারেরও বেশি অত্যাধুনিক ম্যানপ্যাড (ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) সংগ্রহ করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি।
ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান ইতিমধ্যে বেশ কিছু মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে এফ-১৫ই এবং এ-১০ থান্ডারবোল্ট অন্যতম। যদিও চীন তেহরানকে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি বারবার অস্বীকার করে আসছে, তবে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, এই শক্তিশালী বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোনো মধ্য এশীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে ইরানে পৌঁছাতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যখন ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে, তখন এই ম্যানপ্যাডগুলো মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ম্যানপ্যাড মূলত কাঁধে রেখে নিক্ষেপযোগ্য এক ধরণের বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা যা একজন সৈনিক এককভাবে পরিচালনা করতে পারেন। এগুলো ওজনে হালকা, সহজে বহনযোগ্য এবং লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত সহজ। সাধারণত এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইনফ্রারেড বা তাপ অনুসরণকারী প্রযুক্তির মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে।
চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রির খবরকে ‘বানোয়াট’ বলে অভিহিত করেছে। বেইজিংয়ের দাবি, তারা এই অঞ্চলে শান্তি ও যুদ্ধবিরতি স্থাপনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অস্ত্র বিক্রি না করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন এবং জিনপিং তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।
এদিকে গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইরান সম্ভবত চীনের কিউডব্লিউ-২ বা কিউডব্লিউ-১৮ মডেলের ম্যানপ্যাডগুলো পেতে যাচ্ছে, যা বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানের সেনাবাহিনী ব্যবহার করে। নিচু দিয়ে উড়া মার্কিন বিমানের জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিরোধের উপায় বের করা এখন পেন্টাগনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



















