প্রথমে ধর্ষণ, চাকরি বাঁচাতে বিয়ে; অত:পর স্ত্রীর ৪ লক্ষ্য টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার জোর করে আত্মসাৎ করে এখন যোগাযোগ বন্ধ করে বউ বাচ্চা ফেলে রেখে গেছেন নওগাঁ পত্নীতলা পুলিশের (এস আই) আবু সাইদ।
আবু সাইদ কর্মরত আছেন নওগাঁ পত্নীতলা থানায়(এসআই)।এস আই মোঃ আবু সাঈদ বাগুড়া জেলার,শিবগঞ্জ থানার, কুড়াহারা গ্রাম,মৃত সামাদ সরকারের ছেলে।
এস আই আবু সাইদের স্ত্রী গণমাধ্যকে জানান,
বিয়ের সাত মাস পর জানতে পারি তার আগের বউ এখনো আছে। কিন্তু তার দুই মাস পরে ৩ আগস্ট আমার কাছে এসে আবু সাইদ বলে, কিছু টাকা লাগবে। তাই আমি তাকে ৪ লাখ টাকা দিয়েছি। তারপর আমাকে সাইদ বলে আমার আর আগের বউয়ের সাথে কোন যোগাযোগ নেই। এরপর থেকেই আমার স্বামী এস আই আবু সাইদ মাঝেমধ্যে ছুটিতে আসতেন এবং আমাকে শারীরিকভাবে অনেক অত্যাচার করেন। এই বিষয় নিয়ে আমি ২৮ শে এপ্রিল ২০২৫ একটি অভিযোগ দিয়েছিলাম। তবে পরবর্তীতে তিনি আর এরকমটা করবে না বলে আমাকে মামলা তুলে নিতে বলে। আমি মামলা তুলে নিই। এরপর তিনি ১৪ ই মে ২০২৫ দুপুরে এসে আমার এসে খারাপ ব্যবহার ও মারধর করে। সেই সাথে কেবিনেটের ভিতরে থাকা চাকুরী সংক্রান্ত নথি, আমার ৫ ভরি স্বর্ণ ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে চলে যায়। আবু সাইদ আমাকে বলেন, ২৬ মে আমি এসে তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যাবো। তবে ২৬ তারিখে সাইদ না আসলে আমি থানায় আবারও মৌখিক অভিযোগ করি। তবে ২৭ মে ২০২৫ সকাল ৮:৩৯ মিনিটে আবু সাইদ আমাকে কল দিয়ে বলেন তুমি কোথাও আমার নামে মামলা বা অভিযোগ দিও না।
আমি তোমাকে এসে নিয়ে যাবো। এরপর থেকে আর কোন যোগাযোগ করা যায়নি সাইদের সাথে। এরপরে ২৭ শে মে এসপি অফিসের আমি অভিযোগ করি সেখান থেকে আমাকে থানায় পাঠায় আর থানা থেকে কোর্টে মামলা করতে বলে। তার প্রেক্ষিতে কোর্টে মামলা দায়ের করি।



















