টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Thursday , 26 March 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করতে জোর তৎপরতা ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেক্স
March 26, 2026 6:07 pm

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব তেহরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার পরও যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজছে ওয়াশিংটন। কূটনৈতিক জট খুলতে এবার চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পাকিস্তানে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে প্রশাসনের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রশাসনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার এই গুরুত্বপূর্ণ মিশনে পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে নিরাপত্তাঝুঁকি ও কৌশলগত কারণে বৈঠকের স্থান হিসেবে পাকিস্তানের পাশাপাশি তুরস্কের নামও বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি খসড়া পরিকল্পনা পাঠায় ওয়াশিংটন। ওই প্রস্তাবে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধের শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে তা ছুড়ে ফেলা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেহরান নিজস্ব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ করবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কিছু বার্তা আদান-প্রদান হলেও তাকে কোনোভাবেই ‘আলোচনা’ বা ‘সংলাপ’ বলা চলে না।

ইরান প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, আলোচনার পথ এখনো রুদ্ধ হয়ে যায়নি। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারকরা এখন একটি ‘বিকল্প পথ’ বা সেকেন্ডারি চ্যানেলের মাধ্যমে তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে চাইছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই দাবি করেছেন যে, জেডি ভ্যান্সের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে তারা সবাই পাকিস্তান সফরে যাবেন কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

চলমান এই ভয়াবহ সংঘাত বন্ধে পাকিস্তান ও তুরস্ক শুরু থেকেই প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গোপন ও প্রকাশ্য বার্তা আদান-প্রদানে ইসলামাবাদ এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে। তবে ইরানের বর্তমান অনড় মনোভাব এবং ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার ভেন্যু আঙ্কারাতেও স্থানান্তরিত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ২৮ ফেব্রুয়ারির রক্তক্ষয়ী হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যে নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে, তাতে কোনো পক্ষই সহজে ছাড় দিতে রাজি নয়। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করছে, অন্যদিকে ইরান নিজস্ব শর্তে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে মরিয়া। এই রশি টানাটানির মধ্যে পাকিস্তানের সম্ভাব্য এই বৈঠকটিই হতে পারে যুদ্ধের মোড় ঘোরানোর অন্তিম চেষ্টা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা শাখার নতুন কমিটি অনুমোদন

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

রাস্তা পারাপারে সময় দুই বাসের চাপা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে থানায় ঢুকে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত!

সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু

বীরগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাক্টরের চাপায় শিশুসহ নিহত ২, আহত ২

কোলম্যানকে বাফুফের কোচ নিয়োগে অনিশ্চয়তা নজর সেকেন্ড চেয়েসের দিকে

মহানগর উত্তর জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জেলেনস্কির যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল রাশিয়া

কালীগঞ্জে ক্লিনিকও ডায়গনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট

ঈদের আগে নতুন নোট ছাড়বে না বাংলাদেশ ব্যাংক