টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Wednesday , 26 August 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বঙ্গোপসাগর! তলদেশে নড়ছে টেকটনিক প্লেট,পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে প্রাচীন ফাটল, পলির আস্তরণ

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
August 26, 2026 9:17 am

বাংলাদেশ-ভারতের উপকূলজুড়ে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরে বাড়ছে ভূকম্পনের ঝুঁকি! যেকোনো সময় বড় ভূমিকম্পের সৃষ্টি হতে পারে বঙ্গোপসাগরে। সমুদ্রের তলদেশে পরিবর্তনশীল টেকটনিক প্লেট নড়াচড়া করছে, বিপুল পরিমাণ পলির আস্তরণ এবং প্রাচীন ফাটলগুলোর নতুন করে পুনরুজ্জীবিত হওয়ায় বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল বড় ধরনের ভূকম্পন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ভারতের আইআইটি খড়গপুরের ভূবিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, টেকটনিক কাঠামোর এই পরিবর্তনের ফলে ভারতের ওড়িশার পারাদ্বীপ, জগৎ সিংহপুর এবং এর আশেপাশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে। বিগত পাঁচ দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এই ঝুঁকির বার্তা দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

গবেষণাপত্রের তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, গত ৫০ বছরে পারাদ্বীপ ও জগৎসিংহপুর অঞ্চলে প্রায় আট থেকে দশটি মৃদু ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। ২০১৪ সালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ৫.৮ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে এই উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রায় ২০০ জন মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এছাড়া গত বছরও সমুদ্র তলদেশ থেকে উৎপত্তি হওয়া ৫.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। বর্তমানে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, পারাদ্বীপ ও জগৎসিংহপুর অঞ্চল দুটিকে সিজমিক ‘জোন থ্রি’-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, উপকূলীয় মাটির গঠন বিবেচনা না করে নির্ধারিত উচ্চতা লঙ্ঘন করে বহুতল ভবন নির্মাণ করা এই অঞ্চলের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এই বড় ঝুঁকি এড়াতে তারা কঠোরভাবে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রয়োগ এবং নিয়মিত ভবনের ‘স্ট্রাকচারাল অডিট’ করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তবে বাস্তবে এই সতর্কতা বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওড়িশা মানবাধিকার কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অতীতে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত বহু ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবন এবং পারাদ্বীপের নেহরুবান্গলার মতো পুরনো উঁচু ভবনগুলো এখনো ভেঙে ফেলা হয়নি।

ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রশাসনিক কর্তারা জানান, উপকূলে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভূকম্পনসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সব নতুন সরকারি ভবনও এই বিশেষ সুরক্ষাবিধি মেনে তৈরি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে অতীতে চিহ্নিত করা ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক ভবনগুলো দ্রুত ভেঙে ফেলার জন্য বিশেষ প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রিক্সায় যাওয়ার সময় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ- রাউজানে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস কাদের

যুবরাই পরিবর্তনের শক্তি-চাইল্ড নট ব্রাইড প্রজেক্টের আওতায় ভূরুঙ্গামারীতে দিনব্যাপী কর্মশালা

নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

নিজ বাসার ছাদে ছোট্ট বাগানে পানি দিতে গিয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

দিনাজপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কলকাতায় আজ মমতাপন্থি তৃণমূলের বিক্ষোভ

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

গলায় ফাঁস দিয়ে এক সেনেটরি মিস্ত্রির আত্মহত্যা

২৮০ কোটি টাকায় বিলাসবহুল সুপারইয়ট কিনলেন নেইমার