আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দিয়েছেন তিনি। তাঁর দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে চালকের আসনে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।
ম্যাচের স্কোরকার্ড অনুযায়ী, ২০.১ ওভার বল করে ৫ উইকেট নিয়েছেন হাসান। ৫টি মেডেনসহ ৪১ রান দিয়েছেন তিনি। তাঁর ইকোনমি রেট ২.০০। এ সময় একটি নো বল করেছেন তিনি। টেস্টে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়ে দলের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই পেসার।
বাংলাদেশের হয়ে বাকি বোলারদের মধ্যে এবাদত হোসেন ১৫ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ২১ ওভারে ৪১ রান দিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট। তাইজুল ইসলাম ২১ ওভার এবং নাঈম হাসান ১০ ওভার বল করলেও কোনো উইকেট পাননি। মুমিনুল হক ১ ওভার বল করে দিয়েছেন ৬ রান।
হাসানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আফগানিস্তানের ব্যাটারদের রান তোলার গতি কমে আসে। বিশেষ করে টানা তিন বলে তিন উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করা তাঁর বোলিংয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক। এরপর আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে পাঁচ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
বাংলাদেশের বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আফগানিস্তানের ইনিংসে চাপ তৈরি হয়েছে। হাসানের পাঁচ উইকেট বাংলাদেশের জন্য ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।
এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তানজিদ হাসান তামিম ৮৩, শাদমান ইসলাম ৬৭ এবং লিটন দাস ৫৩ রান করেন। মুমিনুল হক করেন ৩৯ রান। আফগানিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ সেলিম সাফি ৪টি এবং ইয়ামিন আহমদজাই ৩টি উইকেট নেন।
হাসানের হ্যাটট্রিক আফগানিস্তানের ইনিংসে বড় ধাক্কা দিয়েছে। দ্রুত বাকি উইকেট তুলে নিতে পারলে প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। তবে এক প্রান্ত আগলে থাকা রহমত শাহকে ফেরানোই এখন বাংলাদেশের বোলারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।



















