জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পুলিশে লাঠিচার্জে ও সাউন্ড গ্রেনেডে এখন পর্যন্ত আহত হয়ে ৩৬জন ঢামেকে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর)দুপুর দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর দুইটার পর থেকে এপর্যন্ত আহত হয়ে ৩৬জন ঢাকা মেডিকেল এসেছে।তারা হলেন, আতিকুল গাজী (২২), মোঃ শরিফুল ইসলাম(২৫), মোঃ আশরাফুল আলম (২০), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৩), মোঃ আজিজুল হক (৫৬), মোছাঃ সিনথিয়া মিম (২২), মোছাঃ লাইলী আক্তার (২২),মোঃ তানভীরুল ইসলাম (২৬), ও মোঃ হাবিব উল্লাহ(৩০),আরিফুল হক (৫৫), ওমর ফারুক (২৭),শাফি উল্লাহ(৩২),কামরুল (২৯), মোহাম্মদ রাকিব (২৫), লিটন (৩২) মোঃ তানভীর (২২), কামরুল-২ (৩২), মোঃ দুলাল (৩০), মোঃ ইউনুছ (২৯), মোহাম্মদ মিজান (২৮),মোঃ সগির উদ্দিন (২৮) ,আল- আমিন (৩৪), মোস্তাক বিল্লাহ (২৭), নুরুল হুদা (২৮), মোঃ সোলেমান স্বপন (২৮) মোঃ আদনান (২২), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৩), মোঃ এমরান হোসেন (১৮), মোঃ হাবিবুর রহমান (২২), রফিক আহমেদ রুবেল (২৭), গাজী অহিদুল হক (৩৪),আবুল খায়ের(২৮), মোঃ রাকিব হাসান (১৭), নুরুল হুদা-২(২৫)
আয়াস(২০), মোঃ শাহাদাত হোসেন (৪০), মোঃ আমিনুল হক (৪১), ও মোঃ আমিনুল ইসলাম (২৭)।ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা সাব্বির আহমেদ জানান,সংসদ ভবন এলাকায়
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আসলে পুলিশের লাঠি চার্জে ও সাউন্ড গ্রেনেটের বিস্ফোরণে অনেকেই আহত হয়। পরে এই ৩৬জনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো জানান, আহত সবারই হাতে হাতে,পায়ে ,মাথায় আঘাত রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক জানান, সংসদ ভবনের এলাকা থেকে ঢাকা মেডিকেলে জরুরি বিভাগে ৩৬জন এসেছে তাদের হাতে মাথায় পায়ে আঘাত রয়েছে, তাদেরকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে,এখন পর্যন্ত কাউকে ভর্তি দেওয়া হয়নি।কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বাকি সবাইকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



















