বাবা
রাজধানীর মিরপুরে রূপনগরে শিয়ালবাড়ি পোশাক কারখানা ও কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনের ঘটনায় স্বামীর জয় মিয়ার মরদেহ মিললেও মিলেনি স্ত্রী মারজিয়া সুলতানার মরদেহ।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেলের মর্গে জয় মিয়ার মরদেহ নেওয়ার সময় জয় এর বাবা সবুজ মিয়া জানান,আমার ছেলের মরদেহ পেলেও আমার বৌমার লাশ এখনো পাওয়া যায়নি। জয়ের স্ত্রী মারজিয়ার বাবা সুলতান নিয়া জানান,আমার মেয়ের ডি এন এ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ও আমি ডিএন এ নমুনা দিয়েছি তারপরে আমি আমার মেয়ের মরদেহ বুঝে পাইলাম না।আমি আমার মেয়ের লাশ কোথায় খুঁজবো পুলিশ কে জানানো হয়েছে তারা বলেছে আমার মেয়ের লাশ আছে পরে জানানো হবে।
তিনি আরো জানান, আমাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মগঞ্জ থানা এলাকায় আমার মেয়েকে নেত্রকোনা জেলার জয়ের সঙ্গে চার মাস আগে বিয়ে দেই।স্বামী স্ত্রী ওই গার্মেন্টসে আট দিন হলে যোগদান করে হেল্পার হিসাবে। তারা স্বামী-স্ত্রী মিরপুরের রূপনগর শিয়ালবাড়ি এলাকায় থাকতো। আমার একটা মাত্র মেয়ে ভাই। আমি তো আমার মেয়েকে পেলাম না আপনারা একটু খোঁজ রাইখেন আর আমি জয়কে দাফনের জন্য তার লাশের সঙ্গে নেত্রকোনা যাচ্ছি।
রূপনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান জানান, রাতে মালিবাগ সিআইডি ফরেনসিক থেকে ১৬জন মরদের ডিএনএ নমুনা আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।পরে আমরা স্বজনদের কাছে খবরদিলে তারা ঢাকা মেডিকেলে কলেজ মর্গে আসলে এ পর্যন্ত ১৬টি মরদেহ স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৬টি মরদেহ ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে, আমাদের এখানে যে ১৬টি মরদেহ রয়েছে এখানে সবগুলো মরদেহের (ডিএনএ) মাধ্যমে শনাক্ত হয়েছে। এখনো ওখানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছে।যদি এখনো তাদের দাবি যদি সঠিক হয়ে থাকে উদ্ধার অভিযান চলমান আছে।ওখানে কোন মরদেহ যদি উদ্ধার হয় প্রোপার ওয়েতে(ডিএনএ)মাধ্যমে ম্যাচ করে তাদের মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করতে পারব বলেও জানান তিনি।



















