টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Sunday , 13 September 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকুটহীন সম্রাট আনোয়ার হোসেন চলে যাওয়ার ১৩ বছর আজ

প্রতিবেদক
বিনোদন ডেস্ক
September 13, 2026 2:38 pm

ঢালিউডের মুকুটহীন সম্রাট প্রয়াত অভিনেতা আনোয়ার হোসেন চলে যাওয়ার ১৩ বছর আজ। ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ গ্রামের সরুলিয়া এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আনোয়ার হোসেন। তাঁর বাবা এ কে এম নজির হোসেন ও মা সাঈদা খাতুন। শৈশব-কৈশোর কেটেছে গ্রামের মেঠো পথে ও মাটির সান্নিধ্যে। ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজে অধ্যয়নকালে শিক্ষাজীবন থেকে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। কলেজ জীবনে আসকার ইবনে শাইখের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

১৯৫৮ সালে মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমাদের’ ছবিতে খল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তাঁর। এরপর ১৯৬২ সালে সালাহউদ্দিন পরিচালিত ‘সূর্যস্নান’ ছবিতে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ষাটের দশকে ‘রূপবান’ (১৯৬৫) ছবি তাঁকে ব্যাপক খ্যাতি এনে দিলেও ১৯৬৭ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ঐতিহাসিক ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ সিনেমাটি তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। চলচ্চিত্রে নবাবের “বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার মহান অধিপতি, তোমার শেষ উপদেশ আমি ভুলিনি জনাব…”—এই সংলাপটি আজও সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে আছে।

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবনে প্রায় ৫০০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আনোয়ার হোসেন। চলচ্চিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে প্রতিনিয়ত ভেঙে-গড়েছেন তিনি। শুধু বাণিজ্যিক ধারাই নয়, ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০), ‘লাঠিয়াল’ (১৯৭৫), ‘নয়নমণি’ (১৯৭৬), ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘সূর্য সংগ্রাম’ (১৯৭৯), ‘দেবদাস’ (১৯৮২), ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’ (১৯৮৭)-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। চরিত্রভেদে তাঁর সাবলীল উপস্থিতি দর্শককে মুগ্ধ করেছে।

অভিনয় জীবনে তিনি বেশকিছু সিনেমায় হার্ট অ্যাটাকের দৃশ্যে অভিনয়ের করেছেন। তাই দর্শকরা তাঁকে ভালোবেসে ‘কিং অব হার্ট অ্যাটাক’ বলতেন।

চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেন। এর মধ্যে সেরা অভিনেতা হিসেবে ‘লাঠিয়াল’ (১৯৭৫) এবং সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮) ও ‘দায়ী কে?’ (১৯৮৭) চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া শিল্পকলায় অনন্য অবদানের জন্য ১৯৮৮ সালে একুশে পদক, পাকিস্তানের নিগার পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হন। ২০১০ সালে তাঁকে চলচ্চিত্রে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা করবে সরকার- কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী

কলাবাগান এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে এক বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ

ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২

কুমিল্লায় হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে ৪৮ হাজার ৪ জন শিশুকে

ইরান অবরোধে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

‎ঢাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে মধুমিতায় চলচ্চিত্র উৎসব

আবাসিক হোটেল থেকে মরাদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রায়েরবাগ একটি বাসা থেকে মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক কাল

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে বিশ্বের উপকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প