দীর্ঘ ৯ বছর পদোন্নতি বন্ধ। অন্য ক্যাডাররা পদোন্নতি পেলেও একই পদে আটকে আছেন শিক্ষা ক্যাডাররা। প্রশাসনিক এই বৈষম্যের কারণে বেতন বৈষম্য বাড়ছে। যেকারণে তিন দফা দাবিতে এবার অবস্থান কর্মসূচিতে নেমেছেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। রবিবার রাজধানীর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) কর্মসূচি পালন করেন তারা।
কর্মসূচিতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা জানান, একই সময়ে যোগ দেওয়া অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা ২০২৩ সালেই পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু ৯ বছর একই পদে তারা একই পদে কর্মরত রয়েছেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে হতাশা তৈরি হয়েছে। ঈদ, পূজা ও শিক্ষক দিবসের আনন্দও এ বঞ্চনার কারণে ম্লান হয়ে গেছে। তাদের আশঙ্কা, সরকার ঘোষিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে একই ব্যাচের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের তুলনায় তারা মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আর্থিক বৈষম্যের মুখে পড়বেন। দীর্ঘদিনের পদোন্নতিবঞ্চনার সঙ্গে এ বৈষম্য যুক্ত হলে তাদের পেশাগত মর্যাদা, আর্থিক অধিকার ও কর্মস্পৃহা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তারা আরও বলেন, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা থাকার পরও কেন বছরের পর বছর তাদের একই পদে থাকতে হচ্ছে। বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভা সম্পন্ন হওয়ার পরও কেন সরকারি আদেশ জারি হচ্ছে না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তারা। এ বিষয়ে বারবার আবেদন, স্মারকলিপি ও প্রতিবাদ জানানোর পরও পদোন্নতি না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তারা। দাবিগুলো হলো—ডিপিসির সভার আলোকে যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ অবিলম্বে জারি করতে হবে। প্রযোজ্য বিধিমালা, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা অনুসারে পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে। পদোন্নতির জট নিরসনে প্রয়োজনীয় সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টি করতে হবে।



















