টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Saturday , 25 October 2025 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অপকর্মের অভিযোগ দুদকে! 

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
October 25, 2025 12:35 pm

ঢাকা উত্তরা ডি.আই.জি এ.পি.বি.এন. কার্যালয়ের উপ পরিদর্শক ( এস আই) রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরা, তদবির বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি অর্থ আত্মসাত করে, অবৈধভাবে গড়েছেন সম্পদের পাহাড় !

উপ পরিদর্শক (এস আই ) রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরা অবৈধভাবে গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ নামে বেনামে । তিনি পুলিশের চাকরী করা অবস্থায় এতো অল্প দিনেই অবৈধ ভাবে সম্পদের পাহাড় দেখে অবাক হয়ে গেছেন তার কর্মস্থলের অন্যান্য পুলিশ সদস্যরাও । এবং তার গ্রামের বাড়ির আশপাশে লোকজনের একই কথা অল্প দিনের মধ্যে কিভাবে এত সম্পদের মালিক হলেন ! সরকারি অর্থ আত্মসাত, ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য করে বিভিন্ন ব্যাংকে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার এফডিআর মাধ্যমে জমা করেছেন এবং দেশেরে বিভিন্ন স্থানে আরো অনেক অবৈধসম্পদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তার নামে ও বেনামে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসআই রফিকুল ইসলাম গাজী খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শিবপুর বাদুর গাছা গ্রামের কাবিল উদ্দিন গাজীর ছেলে। বর্তমান তিনি উত্তরা অষ্টম এপিবিএন অতিরিক্ত ডিআইজি কার্যালয় ঢাকা। কর্মরত আছেন । রফিকুল ইসলামের টিআইএন নম্বর ১৮৯০ ৩২ ৭৩ ৯৭১৯, কর সার্কেল – ১৯৬, কর অঞ্চল -৯, ঢাকা। তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ৬৮৫০৪৩৯৮৭৫ । রফিকুল ইসলাম সরকারি পুলিশের নির্মাণ কাজের বিষয়ে তদারকির করার দায়িত্ব পালন কালে তিনি সঠিকভাবে তদারকি না করে তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আতায়াত করে ঘুষের টাকার বিনিময়ে সঠিকভাবে পুলিশের নির্মাণ কাজ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সুবাদে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজ থেকে অবৈধভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। অবৈধভাবে রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন ধরনের তদবির বাণিজ্য, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

উত্তরা এপিবিএন এর অফিসের পাশে কসাইবাড়ী এলাকায় একই বিল্ডিং এ চারটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন । ফ্ল্যাট চারটির বর্তমানে বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। উত্তরা দক্ষিণখান মোল্লারটেক উদয়ন স্কুল রোডে ১৮৩ নম্বর মারলিফ টাওয়ারে তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরা নামে তিনটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। বর্তমানে বাজার মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। সেই ফ্ল্যাটে তারা বসবাস করছেন । এছাড়াও কসাইবাড়ি পূর্ব দিকে একই বিল্ডিং এ নামে- বেনামে পাঁচটি ফ্ল্যাট ক্রয় করছেন। যার দাম প্রায় ছয় কোটি টাকার মত। উত্তরায় তার স্ত্রী নামে একটি ছয় তলা ভবনের নির্মাণ কাজ করছেন। এছাড়াও খুলনা ডুমুরিয়া নিজ গ্রামে এলাকায় নিজেও স্ত্রীর নামে অনেক সম্পদ গড়েছেন। এমনকি রফিকুল ইসলাম তার শ্বশুর ও শ্যালকের নামে অবৈধ টাকায় সম্পদ ক্রয় করেছেন। এবং তাদের নামে ঠিকাদারি লাইসেন্স নিয়ে তাদের মাধ্যমে পুলিশের বিভিন্ন নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছেন।

খুলনা জেলার মোহাম্মদ মোজাক্কের সিদ্দিকের ছেলে মোহাম্মদ আবু জাফর সিদ্দিক নামের ব্যক্তি চলতি বছরের গত ১৭ আগস্ট জাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আকারে একটি অভিযোগ দাখিল করেন, এস আই রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এইসব তথ্য জানা গেছে। লিখিত অভিযোগে আরও জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উত্তরা ১৮ নম্বর সংসদ আসনের আ’লীগের এমপি হাবিব হাসানের সঙ্গে আতাত করি বিভিন্ন প্রকার তদবির বাণিজ্য, ঘুষ বাণিজ্য সহ সব অপকর্ম করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তিনি এমপির সখ্যতা নিয়ে উত্তরা বিভিন্ন জায়গায় প্লট, ফ্ল্যাট নিজেও তার স্ত্রীর নামে এবং আত্মীয়-স্বজনদের নামে ক্রয় করেছেন । তাদের এই অবৈধ সম্পদে হিসাব রাখতে নিজে হিমশিমি খাচ্ছেন তার জন্য রফিকুল ইসলাম পার্সোনাল ভাবে একটি লোক নিয়োগ দিয়েছে বলেও অভিযোগকে পাওয়া গেছে। রফিকুল ইসলাম বর্তমানে খোলস পাল্টিয়ে বিএনপি ও জামাতের নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা জমাচ্ছেন। তার এই চাকরির সুবাদে শুরু থেকে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন ।

অভিযোগকারী আরো অভিযোগ করেছেন, এপিবিএন’র সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই এস আই রফিকুল ইসলাম একের পর এক তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার এই দুর্নীতি শেষ কোথায় ? তার এই অপকর্মের বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা অনুসন্ধান চালিয়ে তথ্যবহুল নিয়ে নিউজ করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তখন তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হত্যা সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। তিনি বর্তমানে অবৈধ সম্পদের রক্ষা করতে বিভিন্নভাবে তকদির চালিয়ে যাচ্ছেন। রফিকুল ইসলাম গাজী বিষয়টি তদন্ত করলে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে ।

বর্তমানে তিনি ঢাকা উত্তরা এ.পি.বি.এন,‘ডি.আইজি কার্যালয়ে রফিকুল ইসলাম গাজীকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগীতা করেছেন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে কয়েকজন পুলিশের উদ্বতন কর্মকর্তারা তবে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন তারা। কিন্তু উপ পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম এত দুর্নীতি ও অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার পরও এখনো বহাল তরীয়তে রয়েছেন । তিনি চাকরিকে হাতিয়ার হিসেবে বানিয়ে এখনো সে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন ।
তার অবৈধ সম্পদ বিভিন্ন জেলায় রয়েছে বলে বিভিন্ন মারফতে জানা গেছে। তিনি তার অবৈধ সম্পদ রক্ষাকরতে বিভিন্ন ভাবে সাংবাদিকদের হয়রানি করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন। তার বিষয়ে বড় আকারে পদক্ষেপ গ্রহন না করলে পুলিশ প্রশাসনের সুনাম নষ্টের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে। তিনি অন্য জায়গায় চাকরি করেছেন। পরবর্তীতে ঢাকায় পুষ্টিং নেওয়ার পর উত্তরায় বর্তমান বাসার ফ্ল্যাটটি ক্রয় করেন। এর পর তিনি পুলিশ সদরদপ্তরে পুষ্টিং নেওয়ার পর পুলিশের নিয়োগ বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এ ব্যাপারে এস আই রফিকুল ইসলাম গাজী সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, প্রথমেই তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করলে তখন তিনি স্বীকার করেন তার সম্পদের পাহাড়ের কথা । তারপরও বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা কথা বলে বিভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করেন।

কোন সাংবাদিক তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে, মামলার ভয়ভীতি দেখায়। এবং স্থানীয় গুন্ডা ও মাস্তান বাহিনী দিয়ে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান কাজে বাধা প্রদান করেন। তিনি একজন উপ পরিদর্শক ( এস আই) হওয়ার সুবাদে অবৈধ ভাবে ক্ষমতা প্রয়োগ করে তার অবৈধ সম্পদ রক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রকার কলাকৌশল অবলম্বন করেন। এছাড়া সাংবাদিক অনুসন্ধা করতে গেলে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার মামলা হামলা করার চেষ্টা করেছেন। এই সব তথ্য গুলো পাওয়া গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের ওই ব্যক্তি লিখিতভাবে অভিযোগে মাধ্যমে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম গাজী ও তার স্ত্রী ফাতেমাতুজ জহুরা বিরুদ্ধে। সেই লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাদের দুর্নীতি অপকর্মের তথ্যগুলি পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগের অভিযোগকারী আরো বলেছেন, পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে আমার আহ্বান রইল তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক। তাদের জন্য পুলিশের সুনাম যেন ক্ষুন্ন না হয়।

এই ব্যাপারে রফিকুল ইসলাম গাজীর সঙ্গে মুঠো ফোন যোগাযোগ করা চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি সেই জন্য তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি ।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের ফোনালাপ

বেনজীরের ব্যাপারে ৪ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইল দুবাই পুলিশ

পুরান ঢাকায় কারারক্ষীর প্রিজন ট্রাকের ধাক্কায় ঠেলাগাড়ির শ্রমিক নিহত

দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা চালক নিহত

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একটি বিপজ্জনক পেশা: ট্রাম্প

শিলাবৃষ্টি-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দুই মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

রাউজানে রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দিরে ১ যুগ পূর্তি মহানামযজ্ঞ মহোৎসব

পৃথক ঘটনায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত তিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান  জরিমানা আদায়

বীরগঞ্জে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান