কুড়িগ্রামের উলিপুর তেজার মোড় বাজারে হযরত রহিমাতুল কুবরা (রাঃ) বালিকা নুরানী ও হাফিজিয়া ‘আবাসিক’ মাদরাসার শিক্ষার্থী (১৩) বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রবিউল আলম মুয়াজ্জিন (৪৫) বিভিন্ন ভাবে ঐ ছাত্রী’র শরীলে হাত দিতো এবং উক্তাক্ত করে আসছিলেন।
ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা সে বিষয়ে থানায় মামলা না করে এলাকাবাসির সালিশি ও বৈঠকের অপেক্ষা করত! সেই বৈঠক বা শালিসিতে মেয়ের অডিও রেকর্ড অনুযায়ী স্পষ্ট ভাবে বুঝা যায় যে, কিছু দিন ধরে মাদ্রাসার পরিচালক রবিউল আলম ‘মুয়াজ্জিন’ ঐ ছাত্রী’র শরীলের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেওয়ার চেস্টা করে এবং উক্তাক্ত করে আসছিলেন। এবং বেদনশীল স্থানে হাত দেওয়া সহ ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
এঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত পরিচালকের মাদ্রাসা ঘেরাও করেন এবং সময় নিয়ে বৈঠক ও শালিসির সিদ্ধান্ত নেয়।
শনিবার (৮ নবেম্বর) ২০২৫ ইং রাত ৯ টার দিকে বৈঠক ও শালিসের মাধ্যমে অভিযুক্ত ঐ মাদ্রাসার পরিচালক রবিউল আলম ‘মুয়াজ্জিন’ এর বিরুদ্ধে সত্যতা প্রমাণিত হয়। পরে এলাকাবাসীর কাছে আকুতি মেনতি করে ক্ষমা চাইলেও তার বিনিময়ে মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা সহ মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়। এবং আরোও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, রবিউল আলম মুয়াজ্জিন আর কোথাও যেন কোন মাদ্রাসা দিয়ে এধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে না পারেন এবং মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব গ্রহণ করতে না পারেন সে ঘোষণা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব হক্কানি মওলানা, আলহাজ্ব আব্দুল হাই মওলানা, জামে মসজিদ নাজিমখান। আলহাজ্ব সাদেক আলি সরকার, জয়নাল আবেদিন সরকার, রঞ্জু সরকার, আইয়ুব আলি মাস্টার সহ এলাকাবাসি।



















