আজ ১০ তারিখ,৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতা-কর্মী ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিল নিয়ে মাঠে সমবেত হন।
ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, বৃহত্তর ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক এবং সাভার পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মোশারফ হিমেল খানের নেতৃত্বে হাজারো নেতাকর্মী এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য মিছিলটি সাভার শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এসে এক বিশাল সমাবেশে পরিণত হয়।
মিছিলে ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মোশারফ হিমেল খান বলেন,৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে ভূমিকা রেখেছিল, তা ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে এনে যে আশা জাগিয়ে গিয়েছিলেন, সেই আদর্শ আজও আমাদের পথ দেখায়। বর্তমান প্রজন্মের ছাত্রসমাজকে সেই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সোচ্চার হতে হবে।
তিনি বলেন,দেশ আজ ভয়াবহ দুঃশাসনের কবলে। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীন, সাধারণ মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা সেই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ছাত্রদল সবসময় গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। তিনি যুবদলসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস কেবল একটি স্মারক দিবস নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। বক্তারা জিয়াউর রহমানের ঘোষিত নীতিমালা অনুসরণ করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।
দিবসটি উপলক্ষে তারাপুর ঈদগাহ মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। চারদিকে স্লোগানে মুখরিত ছিল “জিয়া জীবিত, জিয়া অমর”, “গণতন্ত্র মুক্ত করো” এবং “ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ” ইত্যাদি। হাজারো নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে সাভারের রাজপথ যেন পরিণত হয় গণতান্ত্রিক চেতনার মিছিলস্থলে।



















