কেবল স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়াতেই দলীয় বহিষ্কারের মুখে পড়েছেন সাবেক এমপি এস এ খালেকের ছেলে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু-এমন অভিযোগে ঢাকা-১৪ আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা।
এলাকাবাসীর দাবি, সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু দীর্ঘদিন ধরে মিরপুরের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা একজন জনপ্রিয় মুখ। দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে তার গ্রহণযোগ্যতা সাধারণ মানুষের কাছে অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত। ফলে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দল নয় মানুষই আসল শক্তি বলে বিশ্বাস করেন তারা।
একাধিক সাধারণ ভোটার স্পষ্টভাবে বলেন,
“সাজু ভাই স্বতন্ত্রভাবে ঢাকা-১৪ আসন থেকে নির্বাচন করলে তাকেই আমরা এমপি হিসেবে দেখতে চাই। আমরা তার পক্ষেই দাঁড়াব।”
এলাকাবাসী আরও জানান, দল থেকে বহিষ্কার কোনো সমস্যা নয়-কারণ সাজু ভাই এখন জনগণের প্রার্থী। একজন বাসিন্দা বলেন,
“মিরপুরবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা সবসময় সাজু ভাইয়ের সঙ্গে আছে। তিনি সবার কাছ থেকেই ভোট পাবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ এ সিদ্দিক সাজু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাবেন এমন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন তার সমর্থকরা।
বর্তমানে ঢাকা-১৪ আসনের অলিগলি থেকে শুরু করে চায়ের দোকান সবখানেই একটি কথাই শোনা যাচ্ছে,সাজু ভাইয়ের জন্য ভোট চাই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই গণসমর্থন আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে।



















