রাজধানীর উত্তরা কামারপাড়া এলাকার একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারলিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আগুনের ঘটনায় নারী শিশুসহ একই পরিবারের ১০জন দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন, মোঃ রুবেল(২৮)), অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫),মেয়ে রোজা (০৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মোঃ এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী মোছাঃ দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মোঃ হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯) মোঃ হাবিব (৩৫) ও আবু কালাম রুবেল (৩৫)।তাদেরকে জাতীয় বার্নে ভর্তি দেওয়া হয়েছে
শুক্রবার (০৬ মার্চ) ভোরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের ১০ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্নের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।
তাদেরকে নিয়ে হাসপাতালে আসা সাজেদ মাতব্বর জানান, ভোরের দিকে উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টর কবরস্থান রোড মেম্বারের বাড়ির পাশে আবুল কালামের ২য় তলার বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই পরিবারের শিশু নারী সহ ১০ জন দগ্ধ হয়। পরে তাদের কে জাতীয় বানে আনা হলে ভর্তি দেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান,রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন।রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী,কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলা শীবচর উপজেলায়।
জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক সহকারি অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান,উত্তরা কামার পাড়া থেকে নারী শিশুসহ ১০ জন আমাদের এখানে এসেছে।শিশু রোজা শরীরে দগ্ধ ১৮ শতাংশ, সোনিয়া আক্তার দগ্ধ ১০০ শতাংশ, রুবেলের ৩২ শতাংশ,জুনায়েদ ২৪ শতাংশ, এনায়েত আলী ৪৫ শতাংশ, দিলেরা খাতুন ১৪ শতাংশ,আবু কালাম রুবেলে ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ,আয়েশা আক্তার ১২ শতাংশ ও রিয়া আক্তার শরীরে ৩২ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।যাদের শরীরের দগ্ধের পরিমাণ বেশি তাদেরকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অন্যান্যদের আবজার্ভেশনে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।



















