নওগাঁর রানীনগর থানার আবাদপুকুর বাজার এলাকর জয়নালের একমাত্র মেয়ে জুথি। জুথি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ভালোবেসে ৩ মাস আগে বিয়ে করেন পাশের গ্রাম রাতোয়ালের বাসিন্দা জিয়াউলের ছেলে মোসাদ্দেক হোসেন শুভকে।
শুভ আপাদমস্তক বেকার হওয়ায় কাজের কথা বলতেই মাঝে মধ্যেই দ্বন্দ্বে জড়াতেন দুই স্বামী স্ত্রী। জুথির উপর চলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭/০৭/২০২৬ ইং তারিখে হঠাৎ করে জুথির মায়ের ফোনে কল দিয়ে শুভ(নিহত জুথির স্বামী) জানায় আপনার মেয়ে অসুস্থ। এর ঠিক একদিন আগেই জুথির সাথে শুভোর একটি কল রেকর্ড এ শোনা যায়,’আমি তোমার ভাত খাবো না’ বলায় জুথিকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও হত্যার হুমকি দেয় শুভো।
তবে কিছু বুজে ওঠার আগেই তার একদিন পর নওগাঁ সদর হাসপাতালে জুথিকে মুমূর্ষ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় শুভ ও তার পরিবার। জুথির শরীরে ছিল একাধিক আঘাতের চিহ্ন। সুরত হাল রিপোর্টে ছিল না বিষ পানের আলামত। তবে শুভোর পরিবার ও স্থানীয়দের চাপে জুথির মাকে বোঝানো হয় যে জুথি গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছে। এ মর্মে মামলা করতে বাধ্য হয় জুথির মা আর্জিনা। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এখনো আসেনি,রিপোর্ট হাতে পেলে ঘটনা রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
পুলিশের তৎপরতায় দুইজন আসামি শুভর বাবা জিয়াউল ও তার মা গ্রেফতার হয়। তবে জেলখানায় অসুস্থতার দোহাই দিয়ে আজ রবিবার দুপুরে জামিনে মুক্ত হয়। জামিনের খবর পেয়ে জুথির মা আর্জিনা কান্নায় ভেংগে পড়েন। সুবিচারের জন্য তিনি সকলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এছাড়া আসামি পক্ষ শক্তিশালী হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আর্জিনা বেগম।



















