গণধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূরকে দেখতে এসে ঢামেকে তার স্ত্রী মারিয়া নুর সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন।
রোববার(৩১ আগস্ট ) দুপুর একটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল জরুরি বিভাগের সামনে কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি সাংবাদিকদের বলেন। আমার জীবনটা সম্পূর্ণ আলাদা তারপরেও বাধ্য হলাম (২৯ আগস্ট) ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন আমি টিভি লাইভ দেখছিলাম। কখনো কল্পনাও করতে পারিনি স্তব্ধ হয়ে গেছি,বর্ণনা করার মত ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
এই বাংলাদেশে নূরের উপরে গত ৮ বছরে ফ্যাসিস্ট আমলেও এতটা নৃশংস ভাবে নেক্কারজনক এ ধরনের হামলা ওর উপর হয়নি। ডাকসু নির্বাচনে ওর উপরে অবশ্যই হামলা হয়েছে সেটাও কম না, সেই হামলা হয়েছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ছাত্রলীগ যুবলীগরা করেছিল।কিন্তু বর্তমানে ফ্যাসিস্ট মুক্ত দেশে প্রশাসনের এই সময়ে এসেও এ ধরনের হামলা হবে আমারা সেটাও কল্পনা করিনি।
তিনি আরো জানান,ওর স্বাস্থ্যের খবর নিতে আজকে আমার হাসপাতালে আসা। আমি কখনো আসতে চাইনি, যে আমাকে আবার মিডিয়ার সামনে আসতে হবে।নূরে শারীরিক অবস্থা এমন হয়েছে আমরা ৩৬ ঘন্টা ওকে অবজারভেশন করি।তারপর একটা সিদ্ধান্ত জানাবো।ওর উপর শারীরিকভাবে এতটা আঘাত করা হয়েছে,ওর ব্রেন,নাক,চোয়ালে আঘাত গুলো পেয়েছে। ইন্টারনালি মেরুদন্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পেয়েছে।
চিকিৎসকরা বলেন,৩৬ ঘন্টা পরে বলতে পারব তার অবস্থা তার এখন জ্ঞান ফিরেছে। শারীরিক অবস্থা এখনো ভালো না। বর্তমানে ডাক্তাররা বলছে ৭২ ঘন্টা পর ছাড়া আমরা কিছু বলতে পারছি না। তার মানে ও এখনো সংক্রামুক্ত নয়। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ওর জন্য দোয়া চাচ্ছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা যেন করা হয় বলেও জানান তিনি।



















