গাজীপুরের জয়দেবপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধের ঘটনায় তাসলিমাআক্তার (৩০) নামের আরো এক নারী জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল)সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় বার্নের (এফএইচডিইউ )তে তার মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার(২৭ এপ্রিল)রাত পৌনে এগারোটার দিকে তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল।
জাতীয় বর্নওপ্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক ডা.শাওন বিন রহমান জানান,গাজীপুর জয়দেবপুর এলাকা থেকে শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে এসেছে।মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল)সকাল সাড়ে ছয়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাসলিমার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৯৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল, এর আগে সীমা নামের আরেকজনের মৃত্যু হয়ে,এই নিয়ে দুজনের মৃত্যু হলো । বাকিরা হলেন,পারভীনের ৩২ শতাংশ, তানজিলার ৯০ শতাংশ ও শিশু আয়ানে শরীরে ২৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে তাদের সবার অবস্থায় অসংখ্যজনক তাদের ভর্তি দেওয়া হয়েছে।
নিহতের স্বামী আলী হোসেন জানান,আমরা দুজনেই পোশাক শ্রমিক।আমার ১১বছরের একটি ছেলে এবং ১০ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। আমার স্ত্রী তাসলিমা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।গত রবিবার(২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও মেয়ে তানজিলা আগুনে দগ্ধ হয়।পরে তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্নে ভর্তি করি।আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার স্ত্রী মারা যান।
তিনি আরো জানান,আমাদের গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানা এলাকার কাসেম আলীর কন্যা।বর্তমানে জয়দেবপুর এলাকায় স্বামী হোসেন আলীর সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকে।আমার দুই ছেলে-মেয়ে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী।তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।



















