চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির প্রাঙ্গণে গঙ্গা পূজা, মাতৃপূজা ও মহাতীর্থ বারুণী স্নান উপলক্ষে অষ্টপ্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং বিশ্বমানবতার মঙ্গল কামনায় মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে ১৬ ও ১৭ মার্চ (সোম ও মঙ্গলবার) দুই দিনব্যাপী এ মহতী ধর্মীয় আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ১৬ মার্চ সোমবার বিকাল ৩টায় মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করে ‘টিম বৃষ্টি’। পরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, গঙ্গা আহ্বান এবং শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়। শুভ অধিবাস কীর্তন ও পৌরহিত্যের দায়িত্ব পালন করেন হাটহাজারী শিকারপুর গৌরাঙ্গ বাড়ী সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ১০৮ স্বরূপ দাস বাবাজী মহারাজ।
পরদিন ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞের শুভারম্ভ, শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ, মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগারতি কীর্তন এবং দিবারাত্রি অন্নপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি দুলাল বৈদ্য, সহ-সভাপতি ধনা মালাকার, সাগর সেন, সঞ্জিব বৈদ্য পিন্টু, দোলন ঘোষ, সুজিত দাশ ও সমীর মহাজন; সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন; সহ-সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী, অসীম দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস; সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু চৌধুরী ও সুভাশীষ রায়; অর্থ সম্পাদক সমীর চন্দ্র দে; সহ-অর্থ সম্পাদক পরিতোষ বৈদ্য, তপন দাশ,
টিটু মহাজন ও শিমুল ভট্টাচার্য; সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিটন মহাজন; সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুমন মল্লিক, সুজন দাশ; প্রচার সম্পাদক আশীষ দাশ; সহ-প্রচার সম্পাদক গৌতম চক্রবর্ত্তী রনি; দপ্তর সম্পাদক সুজন দে; সহ-দপ্তর সম্পাদক নারায়ণ মহাজন, শ্যামল বিশ্বাস, সুমন মহাজন, ঋষিকেশ ঘোষ ও জুয়েল বৈদ্যসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও বিভিন্ন মঠ-মন্দির ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ ধর্মীয় মহোৎসব সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভক্তের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ এক মহামিলন মেলায় পরিণত হয়।



















