বরগুনায় ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী পরীরখাল গ্রামে গত ৩ এপ্রিল রাত ৮-৯ ঘটিকায় এক অটোচালককে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই করেছে । ছিনতাইকারী পুলিশে ফর্মা রিপন গং এই ঘটনাটি ঘটায়। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ রাকিব জানায়, আমি একজন অটো রিক্সাচালক, নিশানবাড়ীয়া টু পরীরখাল বাজার এলাকায় অটোরিকশা চালাইয়া জীবিকানির্বাহ করি। ঘটনার দিন সন্ধ্যা আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে আমার অটোরিকশায় গর্জবুনিয়া হইতে একজন অপরিচিত যাত্রী নিয়া রাত অনুমান ৮ টার সময় ঘটনাস্থল বরগুনা থানাধীন ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী ইউনিয়ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড আলিশশার মোড় পাকা রাস্তার উপর গেলে যাত্রী আমাকে দাঁড়াইতে বলে এবং সে ওই
রাস্তার পাশেই এক বাড়িতে এক ব্যক্তি সাথে কথা বলে এবং এখনই আসবে বলে জানায়। পরবর্তীতে যাত্রী আমার গাড়িতে উঠলে গাড়ি ছেড়ে রওনা হই। কিছুদূর সামনে গেলেই হঠাৎ করে দুইজন যুবক এসে আমার গাড়ি থামিয়ে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিকে তল্লাশি শুরু করে এবং বলে আমরা ডিবি পুলিশ আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে তোমাদের কাছে মাদক আছে।
যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে কিছু না পেলে, তারা আমাকে তল্লাশি শুরু করে এবং আমার গাড়িতে থাকা যাত্রী ভয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এক পর্যায়ে ওই দুই বক্তি বলে তুই ওর সাথে মাদক ব্যবসায় জড়িত। এলোপাতারি কিলখুশি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মকভাবে যখম করে।আমার কাছ থেকে মোবাইল এবং টাকা নিয়ে নেয় এবং বলে একটু সামনে,,,,,একটু সামনে যেতে বলে , এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় ঘটনা স্থল ৯ নম্বর এম বালিয়াতলির ৭ নম্বর ওয়ার্ডস্হ পরীরখাল সাকিনে এক নম্বর আসামি রিপন খাঁর বসত বাড়ির সামনে নিয়ে যায়। সেখানে একজন মহিলা ওদুই নাম্বার আসামি আমাকে জোরপূর্বক ধরে রাখে। এরপর তিনজন মিলে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করে মাটিতে শুইয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পরে ওই মহিলা আমাকে মাটি থেকে তুলে তিনটা ইয়াবা ট্যাবলেট হাতে ধরিয়ে দেয় এবং বলে তোকে এখন ভিডিও করা হবে। আমরা যা বলব তা যদি সঠিকভাবে বলিস তাহলে আর তোকে মারা হবে না। তারপর আমার বাবার মোবাইল নাম্বার নেয় এবং ফোন করে আমার বাবাকে বলে আপনার ছেলেকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে। আমি ডিবি ফর্মা রিপন, আমাদের বাড়ির সামনে আপনি যদি ২০,০০০ টাকা নিয়ে আসেন , তাহলে থানায় নেওয়া হবে না,ছেলেকে ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন। তাৎক্ষণিকভাবে আমার বাবা ৫০০০ টাকা জোগাড় করে ঘটনাস্থলে আসলে, আমার বাবার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে নেয়।
আমার বাবা একজন দরিদ্র কৃষক হয়ে অনুরোধ জানায় তার কাছে আর টাকা নেই, তারপরেও আরও ৩০০০ টাকা দাবি করে। ফর্মা রিপন আমার বাবাকে বলে পাশে ডিবির স্যারেরা দাঁড়িয়ে আছে, তাদের সাথে কথা বললে ঝামেলা হবে। বাবা দিশেহারা হয়ে দৌড়ে গিয়ে সেই যুবকদের কাছে অনুরোধ করে স্যার আমার ছেলে নির্দেশ। আমার ছেলেকে ছাইড়া দেন আমরা গরিব কৃষক। উপস্থিত ব্যক্তিরা বলে কি সমস্যা আপনার, কে আপনি? কিসের ডিবি স্যার আর আপনার ছেলে কিসের নির্দোষ? তখন আমার বাবা প্রশ্ন করে আপনারা ডিবি স্যার না? অবস্থা বেগতিক দেখে রিপন ও তার সহযোগীরা আমার বাবাকে এসব জোর করে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যেও সাংবাদিক এবং মানবাধিকারের পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী ও তাহার ভাই পাথরঘাটা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ সহ আরো দুই একজন তাদেরকে ডাকাত বলে দৌড়ানি দিলে, গ্রামের মানুষজন ঘর থেকে রাস্তায় চলে আসেন রিপন এবং তার সহযোগী ছিনতাইকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত সংবাদিক তৎক্ষণাৎ নিকটস্থ পুলিশ ফাঁড়ি ও থানায় ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে, ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে এবং গ্রামবাসী সহযোগিতায় ছিনতাইকৃত অটোরিকশা এবং মোবাইল ফোনটি রিপনের স্ত্রীর নিকট হইতে জব্দ করে। ফরমা রিপনের ঘরবাড়ি তল্লাশি করে সামান্য কিছু মাদকদ্রব্য ও মাদকদ্রব্য – সেবনের অনেক যন্ত্রপাতি উদ্ধার করে।
ঘটনা স্থলে বাবুগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ দীপন সিকদার ও এ এস আই লিটন বিশ্বাস, ২ কনস্টেবল পুলিশের কাছে বলে তার মাদক ব্যবসার ঘটনা, এবং ভালোভাবে ঘর তল্লাশি করলে কেজি কেজি গাঁজা , ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যাবে। তার চাচা হানিফা ও চাচাতো ভাই লিটনের কথা সন্দেহ হলে এ এস আই লিটন বিশ্বাস সাংবাদিককে জানালো ভোডা ৪ টা পর্যন্ত ঘরের পিছনে ঘরের ভিতরে এক চিরুনি অভিযান চালায় যদিও ব্যাপক মাদক পাওয়া । মাদকদ্রব্য জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার যন্ত্রপাতি ও মাদকদ্রব্য ট্যাবলেট রাখার বড় বড় জিপার পাওয়া যায় পরবর্তীতে রিপনের স্ত্রীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে শিরোনামে আইনের নাম ও ধারা ৩৪১ পাবলিক ৩২৩ হাবলীগ ৪১৯ পাবলি ৪২০, পাবলিক ৪০৬/ পাবলিক ৫০৬ মামলা নাম্বার ১৩/ ৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩ জনকে আসামি করে মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হয় ।
গ্রেফতার করা আসামি তিন নাম্বার রহিমা বেগম কে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয় উক্ত মামলায় রিপন ওরফে ফর্মা রিপন ও তার সঙ্গী পলাতক রয়েছে হঠাৎ করে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে হাটাহাটি ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় । মাত্র দুইদিন থানায় আর দুরাত জেল হাজতে থেকে চার দিনের ব্যবধানে কোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে আসে তিন নাম্বার আসামি রহিমা এবং গ্রামের আশেপাশে লোকদের রিপন ও তার চক্রের সদস্যরা হুমকি প্রদান করে সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ মতে একাধিক চুরি-ডাকাতি মাদক মামলা রয়েছে এই চক্রের সদস্যদের গ্রামবাসীর তথ্য মতে প্রতিমাসে গ্রামের হাঁস মুরগি সবচেয়ে বেশি আলোচিত গরু চুরির কাজে এই রিপনের কর্ম ঘটনা কিছুদিন আগে চুরির দায় গণধোলাই পাবলিকের শিকার হয় দীপন ।পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হলে মিলন মেম্বারে এর বিচারই কাছে জরিমানা করে চুরির দায়ে ওর হাতে ব্যবহৃত ফোনটিতে ডিবি প্রিন্স লেখা একটি নাম্বার সেভ করা দেখিয়ে গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ কার্যক্রম চালায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার পরিচালক মো. গোলাম রব্বানী যেহেতু তাহার গ্রামের বাড়ি রাস্তার
উপরের ঘটনা তার কাছে এই চিন্তায় অভিযুক্ত রিপন খাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে বলেন রিপন খাওয়া পিতা কুদ্দুস খা আমার পাশের বাড়ির লোক চুরি চিন্তা এই টাকা দিয়ে এটাই ছিল ওর পেশা বছরে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসলে শুনতাম বারোমাসি বিপন্নতার সহযোগিতায় গ্যাং ১০ দিন চুরির ঘটনায় পাবলিক গণধোলাইয়ে আটক অথবা জুলাই এরপরে জেল হাজতে চার পাঁচ বছর আগে নিজ বরগুনা সার্কিট হাউজের সামনে কিছু ডিবি অফিসারদের সাথে বিভিন্ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করি অবশেষে এই রিপনকে ভালো হওয়ার জন্য তৎকালীন ডিবি এসআই মোহাম্মদ জালাল এর সোর্স করি ডিপিএস এ জালাল আরো অন্যান্য কিছু অফিস কে বলেছিলাম ওর সংসারের জন্য যেহেতু আমার গ্রামের ছেলে আপনাদের সাথে কাজ করবে আপনাদের সরকারি বেতন থেকে চার পাঁচ জন অফিসের মাসে একটা টাকা ধার্য করে দিবেন যেন পরিবার নিয়ে খেয়ে দেয়ে বাঁচতে পারে তারা আমার ভাই ছিল আমাকে কথায় সম্মান করতো তাই প্রায় তিন বছর আমি বাড়িতে আসলে গ্রামের বিভিন্ন সারিসে ডিবির এই অফিসার ভাই গুলো সাধারণ নির্মাণ মানুষের পাশে নিঃস্বার্থ ভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠায় সৌন্দর্য বজায় রেখেছে হঠাৎ গত বছর আমি বাড়ি তে ঘুরতে আসতে শোনা গেল যে মাস্টার মাইন্ড মাদক ব্যবসায়ী বর্তমান রিপন সে পুলিশের সাথে কাজ করে তার জন্য বিভিন্ন জায়গা দিয়ে মাদক ব্যবসা করলেও স্যার পেয়ে যায় যদিও আমি বিশ্বাস করি পরবর্তীতে আমি খোঁজ নিয়ে দেখি আমি কিছুদিন পায়ে হেঁটে পরিচয় গোপন রেখে কিছু মাদক সেবনকারীর কাছ থেকে তথ্য পাই রাখাইনপাড়ার মাদক ব্যবসায়ী কেতাব আলী গর্জ বুনিয়া মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান নলটনা মাদক ব্যবসায়ী কাঞ্চন এদের নাকি কেজি কেজিতে কাজল সাপ্লাই দেয় ওর সাথে দুই তিনটা
মোটরসাইকেল ড্রাইভার যারা রাত দিন ওকে মদ এনে দিত আমি মনে করি আমাদের সচেতন পুলিশ ওর মোবাইল নাম্বার গত তিন মাস খেয়াল করললে এই ব্যবসায়ীদের নাম্বার যোগাযোগ কতটুকু জানা যাবে। জনস্বার্থে দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশকারী এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাও বাস্তবায়ন সংস্থা পরিচালক মোঃ গোলাম রব্বানী আন্তরিকভাবে বাবুগঞ্জ ফারি ইনচার্জ দিপান টিকাদার ও সহযোগী এএসআই লিটন হাওলাদার সহ সকল পুলিশ দায়িত্বগত অবস্থায় থাকাকালীন পুলিশ আদর্শ জনগণের জান মাল নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় এক সৌন্দর্য উপহার দিয়েছে ন্যায় বিচারের শাস্তি দাবিতে তাৎক্ষণিক আদালতে মামলাটি পাঠিয়ে দিয়েছে তাদের এই সততার জন্য আমরা বরগুনা ডিসি মহোদয় ও পুলিশ সুপার মহোদয় এবং বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আলিম সাহেবকে শুভেচ্ছা ও মানব কল্যাণে সু নেয় বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেকটি পুলিশ যেন দুর্নীতিমুক্ত আচরণে জনগণের পাশেই ভাবি দাঁড়ায় এই কামনাই করি এবং সেই সাথে অপরাধী দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রশ্নের দৃষ্টি আকর্ষনে ঘটনাটি সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হলো।।



















