টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Sunday , 26 April 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
April 26, 2026 8:52 pm

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী বলেছেন, তারেক রহমানের আমন্ত্রণে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ২০০৪ সালে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি ক্লাবে ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠন : টেলিকম, ডেটা ও সাইবার সুরক্ষা বিল ২০২৬’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এসব কথা জানান। বাংলাদেশ আইসিটি স্টেকহোল্ডারস অ্যালায়েন্স (বিআইএসএ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বিল গেটসের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বিল গেটস ঝটিকা সফরে এখানে এসেছিলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন আমাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চেয়েছি। কিন্তু গত কয়েক দিন অনলাইনে যেসব ভাষা ব্যবহার করে একটি দল সমালোচনা করছে; সেগুলো মানুষের ভাষা নয়। গালিগালাজ কখনও বাকস্বাধীনতা হতে পারে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বিআইএসএ সভাপতি ফয়সাল আলিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এবং বিআইএসএ-এর প্রধান উপদেষ্টা মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক ।

এছাড়া, সংলাপে আইসিটি খাতের উদ্যোক্তা, আইন বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে: জামায়াত

আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদিয়া) বন্দর-পতেঙ্গা থানা সংসদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

পদত্যাগ করলেন দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার

বঙ্গভবনে প্রথম কর্মদিবসে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার

কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে চলছে মাটি লুটের মচ্ছব এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।। কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গোমতী নদীর দুই তীরের মাটি লুটের মচ্ছব চলছে। শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই আদর্শ সদর উপজেলার পালপাড়া থেকে গোলাবাড়ি পর্যন্ত নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে পাওয়ার টিলারে ভরে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে দিচ্ছে স্থানীয় অসাধু চক্র। এসব মাটি ইটভাটাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়। মাটি কেটে নেওয়ায় তীরের ফসলি জমি, পাশের শহর রক্ষা বাঁধ ও সেতু ঝুঁকিতে পড়বে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন। সম্প্রতি সরেজমিনে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, আদর্শ সদর উপজেলায় নদীর উত্তর তীরে পাঁচ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ তীরে ২৫ কিলোমিটার এলাকায় মাটি লুট চলছে। পাওয়ার টিলার দিয়ে মাটি বিভিন্ন ইটভাটা ও বসতবাড়িতে ব্যবহারের জন্য নেওয়া হয়। নদীর উৎসমুখ কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কটকবাজার ও গোলাবাড়ি থেকে শুরু করে পালপাড়া পীরবাড়ির সামনে পর্যন্ত উভয় তীরে মাটি কাটার প্রক্রিয়া চলছে প্রকাশ্যে। এতে গোমতীর বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাঁধসংলগ্ন পাকা সড়কের পিচ উঠে গেছে। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর দক্ষিণ তীরে দুর্গাপুর, ভাটপাড়া, পালপাড়া পীরবাড়ি, কাপ্তানবাজার, চানপুর মাস্টারবাড়ি, শালধর এবং সামারচর এলাকায় অন্তত ২০টি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি তুলতে দেখা গেছে। এসব ট্রাক্টর চলাচলের জন্য সড়কের অংশ কেটে নদীর বাঁধের ভেতর দিয়ে চলার পথ তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে নদীর উত্তর পাড়ে ছত্রখিল এলাকায় থাকা পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই চলছে মাটি কাটার কাজ। বৈদ্যুতিক খুঁটির গোড়া ও নদীতীরের গাছের নিচ থেকেও মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। চানপুর বেইলি সেতু এবং কাপ্তান বাজার পশ্চিম অংশের মাটিও কাটতে দেখা গেছে। নদীর দুই তীরে মোট সাতটি ঘাট থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়া হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।কয়েকজন ট্রাক্টরচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতি ট্রাক্টর মাটি ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আরেকজন স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা এই মাটি ট্রাক্টরে করে ইটভাটা ও আশপাশের বিভিন্ন নির্মাণস্থলে সরবরাহ করি। রাজনৈতিক ব্যক্তি ও কিছু প্রশাসনিক লোককে ম্যানেজ করে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।’ গোমতী নদীর চর দখল করে কোটি কোটি টাকার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের আড়াইওড়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম। স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয়ধারী এই ব্যক্তি বিগত ১৭ বছর পার করার পর এবার স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতার যোগসাজশে গোমতীর মাটি কাটছেন। অভিযোগ স্বীকার করে জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর পাড় সংলগ্ন আমার একটি পুকুর আছে। আমি সেখান থেকে মাটি কাটছি। মাটি কাটার সঙ্গে আমি একা জড়িত না। স্থানীয় নেতারা ও প্রশাসনের কিছু লোক আমার সঙ্গে আছেন।’ জানতে চাইলে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রেজা হাসান বলেন, ‘জনগণকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আমি পাউবোকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশনা দিয়েছি। গোমতীর তীর থেকে মাটি কাটা বা বালু তোলার কোনো অনুমতি জেলা প্রশাসন থেকে দেওয়া হয়নি।’ রেজা হাসান আরও বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জেলা প্রশাসন বরাবরই এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সজাগ রয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তা নিয়ে যেখানে মাটি কাটা হয়, সেখানে অভিযান চালানো হবে।

সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস থেকেই উঠে আসবে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়-কুমিল্লায় কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ

হরমুজ প্রণালির সম্ভাব্য মিশনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ রণতরী মোতায়েন

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৪৩ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ভারত