নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকার ভাড়া বাসায় দেবর খালেক কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দেবর উত্তেজিত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভাবি ও ভাতিজিকে যখন করেছে পাষণ্ড। আহরা হলেন, মোছা:জনুফা(২২)মেয়ে লামিয়া(৬)।আহত জুনুফা পেশায় পোশাক শ্রমিক।
সোমবার(১৮ মে)দুপুর দুইটার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জরুরি বিভাগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা আহত জনুফার স্বামী আব্দুল মালেক জানান, আমার স্ত্রী স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে দুপুরের দিকে বাসায় আমার স্ত্রীকে উপস্তার দিলে আমার স্ত্রী রাজি না হলে। পরে উত্তেজিত হয়ে আমার ভাই ঘরে থাকা বটিদা দিয়ে আমার মেয়ে ও স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আমি বাসায় এসে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি, পরে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়,ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তিনি আরো জানান,আমার গ্রামে বাড়ি জামালপুর জেলা মেলানদাহ থানার তারাকান্দি গ্রামে।বর্তমান
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গোরস্থান এলাকার ভাড়া বাসায় থাকি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ(পরিদর্শক)মো:ফারুক জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মা ও মেয়ে আহত হয়ে এসেছে। আমরা জানতে পেরেছি দেবর কতৃক ভাবিকে উপস্তাম দিলে প্রস্তাবে রাজি না হলে মেয়ে এবং ভাবিকে কুপিয়ে যখন করে। মা ও মেয়ে জরুরী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।



















