টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Tuesday , 3 March 2026 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা,৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেক্স
March 3, 2026 2:22 pm

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইরানের সস্তা ড্রোন প্রতিরোধে বাধ্য হয়ে নিজেদের মজুদ করা ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে সংঘাতে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাদের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যয় হয়েছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

‎ঈদুল ফিতরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনর্গঠনের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন ছাত্রদল নেতা সজীব রায়হান

পুলিশকে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: আইজপি

ছাত্রী হোস্টেল থেকে মেডিকেল শিক্ষার্থী (ভারতীয় নাগরিক) মরদেহ উদ্ধার

অবৈধভাবে হজ পালনে ১ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা ও ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা

সৌদি বাদশার উপহার ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসতেই উধাও ২০ কার্টন খেজুর

৩৩ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মিরপুরবাসী আমাকে সাদরে গ্রহণ করছে-সাজু

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মুখে পড়বে: জাতিসংঘ

অজ্ঞাতনামা মারাদেহ

গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

বীরগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, স্বপ্ন গড়ার আহ্বান এমপি মনজুরুল ইসলামের

পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের মমতাময়ী মা এর রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল