কুমিল্লার তিতাসে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এনসিপি নেতা লুৎফর রহমানকে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয় সাধারণ জনতা।
ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার দুপুরে মজিদপুর ইউনিয়নের ভূইয়ার বাজার (দড়িগাঁও) এলাকায়।এঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বইছে সমালোচনা ঝড়।ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের দড়িগাঁও পশ্চিম পাড়ায় ২১বছর বয়সি এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে থালা-বাসন ধোয়ার অজুহাতে বিল্ডিং এ নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠে বাড়ীর মালিক আক্তার হোসেন(৫২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রতিবন্ধী কিশোরী শারিরীক সম্পর্কে কিছু না বুঝায় দীর্ঘ ৫মাস পেড়িয়ে যায়।
এরপর শারিরিক অবস্থা অস্বাভাবিক হলে ডাক্তারী পরিক্ষায় ধরা পরে ৫মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা ওই কিশোরী। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ওই ধর্ষকের সাথে বিবাহের মাধ্যমে ঘটনার মিমাংসা দিলেও ধর্ষক আক্তার কুমিল্লা এক শ্রেণীর দালালের কু-প্ররোচনায় কোর্টে গিয়ে গ্রামের কিছু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেন।এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অবশেষে ভিকটিমের মা তিতাস থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে আক্তার হোসেন ও বক্তার হোসেন নামে দু’জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সামাজিক ভাবে সমাধানের জন্য স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের লোকজন বিচার সালিসিতে বসলে সেখানে তিতাস উপজেলা এনসিপির যুগ্ম- সমন্বয়কারী মো. লুৎফর রহমান উপস্থিত হয়ে ধর্ষকের পক্ষে নিয়ে উপস্থিত লোকজনের সাথে উচ্চকন্ঠে বাকবিতন্ডাসহ ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা চালান। একপর্যায়ে বিচারে উপস্থিত লোকজনদের হুমকি ধামকি দিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে স্থানীয় উপস্থিত সচেতন মহলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাধারণ ছাত্র-জনতা এনসিপি নেতা লুৎফর রহমানকে গণধোলাই দিয়েছেন বলে একটি বিশেষ সূত্রে নিশ্চিত করেন।
এবিষয়ে এনসিপি নেতা লুৎফর রহমান বলেন, আমি কুমিল্লা ছিলাম। এলাকায় ফিরলে জানতে পারি কোন এক সামজিক বিচার সালিসিতে আবু সাঈদ আসিফসহ বাতাকান্দি এলাকা থেকে লোকজন এসেছে। কি নিয়ে বিচার সেইটাও আমি জানিনা। ১৫-২০টি সিএনজি করে আবু সাঈদ তার লোকজন বিচার থেকে যাওয়ার পথে আমাকে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। আমি কোন ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে কোন জামেলা করেছি এইটা পারলে কেউ প্রমাণ করে দেখাক।



















