টুডে সময় সংবাদ Today Somoy Sangbad - গণমানুষের কণ্ঠস্বর
Saturday , 15 November 2025 | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পল্লবী এলাকায় আ.লীগের অর্থ যোগানদাতা নাসির উদ্দিন সেন্টু ও তার পরকীয়া প্রেমিক এখনো পুলিশের ধরাছোয়ার বাইরে । পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক !

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
November 15, 2025 10:54 am

রাজধানীর পল্লবী এলাকার আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (সেন্টু) পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এখনো সে মিটিং মিছিল করাচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করে আসছেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে, এই নাসির সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদেরকে নিয়ে বড় বড় আমলা দের দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ।

পল্লবী থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। কি কারনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ঘটনাটি রহস্য জটবেধেছে। মেয়ে বয়সে রোজিনা আক্তার নামে এক কল গার্ল কি নিজের স্ত্রী বানিয়ে তার সাথে বসবাস করছে নাসির উদ্দিন। সেই কল গার্ল রোজিনা আক্তার কারণে নিজের স্ত্রীকে এবং মেয়েকে বেধরক মারধর করে গুরুত্ব আহত করেছেন নাসির উদ্দিন (সেন্টু)। এই ঘটনায় মা ও মেয়ে পৃথকভাবে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করলেও পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বাদিকে বিভ্রান্তিক মূলক কথা বলে হয়রানি সৃষ্টি করছেন।
বাদী তৈয়বা তাসমিন নিছা (১৮), তার বাবার নাম মো. নাসির উদ্দিন (৫৬), মাতা, মাসুমা আক্তার (৪২), সেকশন-১২, ব্লক-ই, বাসা-৭০, রোড-৩ (৩য় তলা), থানা-পল্লবী, ঢাকা । মেয়ে তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৬ সেপ্টেম্বরে রাত সাড়ে দশটার দিকে নিজ বাসায়। একই বাসায় গত ১৯ অক্টোবর রাত দশটার দিকে মাসুমা আক্তারকে (৪২) তার স্বামী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (৫৬) বেধরক মারধর করেন। এই ঘটনার কারণ হলো রোজিনা আক্তার(২২) নামের এক কল গার্ল এর সাথে নাসির উদ্দিন পরকীয়া জড়িয়ে পড়ে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

তারই প্রতিবাদ করার কারণে মা ও মেয়েকে প্রায় সময় মারধর করে গুরুতর আহত করেন । পরে মা ও মেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন। মেডিকেলের চিকিৎসাপত্রসহ মা ও মেয়ে পৃথকভাবে লিখিত আকারে পল্লবী থানায় অফিসার্স ইনচার্জ এর বরাবর অভিযোগ দাখিল করলেও বিবাদীর বিরুদ্ধে পুলিশ কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি এখনো। মেয়ে তৈয়বা তাসমিন নিছার অভিযোগটি পল্লবী থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলামকে তদন্ত করতে বলেন পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। এবং মাসুমা আক্তারের লিখিত অভিযোগের তদন্তভার দেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন কে। এখন পর্যন্ত তারা কোন তদন্ত করেননি বরঞ্চ বাদীকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে তাদেরকে হয়রানি করছেন। এই রহস্যটা কি এলাকার জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার একাধিক লোকের অভিযোগে মাধ্যমে জানা গেছে, নাসির উদ্দিন সেন্টুর আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি ও নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা তৈরি করেন। এবং সার্বক্ষণিক তাদেরকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন। বর্তমানেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের মিটিং মিছিলে করার সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ নিয়ে এসে তাদের কাছে হস্তান্তর করছে। সবাই জানে নাসির উদ্দিন সেন্টু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
বিবাদী ১। মো. নাসির উদ্দিন (৫৬), তার বাবার নাম মৃত আব্দুল জব্বার মল্লিক, তার মাতা নাম -মৃত মেহেরুন নেছা, সেকশন-১২, ব্লক-ই, বাসা-৭০, রোড-৩, থানা-পল্লবী, ঢাকা । এনআইডি নং-২৩৯২২৩২৯৪৪, ২। রোজিনা আক্তার (২২), বাবার নাম-রসুল মিয়া, মাতার নাম কোহিনুর বেগম, বাসা-২/এ-৬, সেকশন-১৪, ব্লক-ডি সেনপাড়া পর্বতা, থানা-কাফরুল, ঢাকা । এনআইডি নং-৯৫৮৭১০৭৬১৭ ।

বাদী অভিযোগে জানা গেছে, আমি তৈয়বা তাসমিন নিছা, থানায় হাজির হয়ে বিবাদী মো. নাসির উদ্দিন সেন্টু ও রোজিনা আক্তার দ্বয়ের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করছি যে, আমার বাবা বিবাদী নাসির উদ্দিন আমার মায়ের নিকট যৌতুক দাবী করে মাকে মারধর করে এবং বাসার ভিতর ভাংচুর চালায়। আমি বাধা দিলে বিবাদী নাসির উদ্দিন আমাকেও মারধর করে। মা যৌতুক না দেওয়ার কারনে বিবাদী নাসির উদ্দীন টাকার লোভে বিবাদী রোজিনার সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাকে এবং আমার মা মাসুমা আক্তার-কে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। তিনি প্রায়ই অকারণে আমাদের গালাগাল ও মারধর করেন। সর্বশেষ গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত আনুমানিক সাড়ে দশটায় আমার বাবা বিবাদী নাসির উদ্দিন তার কল গার্ল পরকিয়া প্রেমিকা বিবাদী রোজিনার পরামর্শে আমাকে ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করেন। ঘটনার সময় তিনি তার পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গী রোজিনা আক্তারের সাথে ফোনে কথা বলছিলেন। আমি উক্ত অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় তিনি আমার উপর এ নির্যাতন চালান। পরবর্তীতে আমি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ করি।

আমি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। উল্লেখ্য যে, আমার উপর সংঘটিত নির্যাতনে একাধিকবার তার উক্ত পরকীয়া সঙ্গী বিবাদী রোজিনা আক্তারের কু-পরামর্শ ও প্ররোচনার ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার মা শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীত ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছি। এমতাবস্থায় ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে আপনার নিকট সরনাপন্ন হলাম। মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন ও বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার ও আমার মায়ের উপর চালানো নির্যাতন এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে আমাদের সুরক্ষা প্রদানেন জন্য ও ঘটনার বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।
অপরদিকে বাদী মাসুমা আক্তার (৪২), বাবা মৃত রহম আলী মাতার-মৃত রাফতুন নেসা, সেকশন-১২, ব্লক-ই, বাসা-৭৪, রোড-৩(৩য় তলা), খানা পল্লবী, ঢাকা, এনআইডি নং-৩৭৪২২১০৪৭৩।

বিবাদী ১। মে। নাসির উদ্দিন সেন্টু (৫৬), বাবার মৃত আব্দুল জব্বার মল্লিক, মাতার নাম-মৃত মেহেরুন নেছা ২। রোজিনা আক্তার (২২), বাবার নাম রসুল মিয়া, মাতার-কোহিনুর বেগম, বাসা-২/৩-৬. সেকশন-১৪, ব্লক-ডি, সেনপাড়া পর্বতা, থানা কাফরুল, ঢাকা । নং-১২. ব্লক-ই, বাসা-৭০, রোড-৩. খানা-পল্লবী, ঢাকা । এনআইডি নং-৯৫৮৭১০৭৬১৭ । আমি মাসুমা আক্তার, থানায় হাজির হয়ে বিবাদী মো. নাসির উদ্দিন সেন্টু ও রোজিনা আক্তার দ্বয়ের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করছি যে, গত ২০ বছর পূর্বে বিবাদী নাসির উদ্দিনের সাথে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পর বিবাদী নাসির উদ্দিন আমাকে নিয়ে তার বর্ণিত ঠিকানার বাসায় ঘর সংসার শুরু করে। আমাদের দাম্পত্য সংসারে মাহাদী (১৫) ও তৈয়বা তাসমিন নিছা (১৭) নামে দুইটি সন্তান আছে।

বিবাহের পর থেকেই বিবাদী মোঃ নাসির উদ্দিন আমার নিকট ১০,০০,০০০/-(দশ লাখ) টাকা যৌতুক দাবী করে আমাকে মারধর করে এবং নেশা করে বাসার ভিতর ভাংচুর চালায়। আমার ছেলে মেয়েরা বাধা দিলে বিবাদী নাসির উদ্দিন তাদেরকেও মারধর করে। আমি যৌতুক না দেওয়ার কারনে বিবাদী নাসির উদ্দীন টাকার লোভে বিবাদী রোজিনার সাথে পরোকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাকে ও আমার ছেলে মেয়েকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। তিনি প্রায়ই অকারণে আমাদের গালাগাল ও মারধর করে থাকেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত আনুমানিক দশটা দিকে বিবাদী নাসির উদ্দিন তার পরোকিয়া প্রেমিকা বিবাদী রোজিনা আক্তারে কু-পরামর্শে আমার মেয়ের নাকের উপর ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করেন। ঘটনার সময় তিনি তার পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গী রোজিনা আক্তারের সাথে ফোনে কথা বলছিলেন। আমার মেয়ে উক্ত অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় তিনি আমার মেয়ের উপর এ নির্যাতন চালান।

পরবর্তীতে মেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ করে। আমি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। গত ১ মাস পূর্বে বিবাদী মো. নাসির উদ্দিন অকারনে লাঠি দিয়ে আমার ছেলেকে মেরে তার ডান হাত সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ রাত অনুমান দশটায় বিবাদী মো. নাসির উদ্দিন অকারনে আমাকে গালাগালি সহ কাঠের বিট দিয়ে আমাকে পিটিয়ে আমার মাথায়, বুকে, পিঠে ও বাম-ডান হাতের উপর এলোপাতারীভাবে পিটিয়ে নীলাফুলা জখম করে। তখন আমার মেয়ে ছেলেরা বাধা দিলে বিবাদী ম নাসির উদ্দিন তাদেরকেও মারধর করে। আমাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাধা দিলে বিবাদী নাসির উদ্দিন আমাকে নিয়ে সংসার করবে না, আমাকে তালাক দিয়ে তার পরোকিয়া প্রেমিকা বিবাদী রোজিনা আক্তারকে দ্বিতীয় বিবাহ করার ভয়ভীতি ও হুমকী দেয়। উল্লেখ্য যে, আমার উপর সংঘটিত নির্যাতনে একাধিকবার তার উক্ত পরোকীয়া সঙ্গী বিবাদী রোজিনা আক্তারের কু-পরামর্শ ও প্ররোচনার ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার ছেলে মেয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীত ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছি। এমতাবস্থায় ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে আপনার নিকট সরনাপন্ন হলাম।

আমি ও আমার ছেলে মেয়ের উপর চালানো নির্যাতন এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে আমাদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য ও ঘটনার বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত