দিনাজপুরের কাহারোল থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানার সামনে অবস্থান নেন বিক্ষুব্ধরা। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে ক্লোজড করে ঢাকায় পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে কাহারোল থানার সামনে অবস্থান নিয়ে থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক পৌনে ১২ টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ধর্মঘট নয়াবাদ এলাকায় পুলিশ দায়িত্বরত অবস্থায় ওই এলাকার বীরমুক্তিযোদ্ধা গোপেন চন্দ্র রায়ের ছেলে ও ডেকোরেটর ব্যবসায়ী হরি চন্দ্র রায়কে আটক করে পুলিশ। এসময় তার থেকে ২ লিটার পেট্রোল পাওয়া যায়। তবে তাকে বড় ধরনের মামলায় জড়ানোর কথা বলে হুমকি দেন ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের ৪ সদস্য। পরে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মো. শামীম আলীকে ঘটনার বিষয়ে অবগত করলে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শামীম আলী।
এক পর্যায়ে হরি চন্দ্র রায়ের কাছ ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করলে সে স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুলিশকে ১০ হাজার টাকা দেয়। কিন্তু বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ওই এলাকার স্থানীয় জনতা। পরে ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস বিক্ষুব্ধ জনতা থানা এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মো. শামীম আলী বলেন, টাকা লেনদের বিষয়টি আমার জানা নেই। মানুষের ভালো করতে গিয়ে আজ আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার দল ও এলাকাবাসীর কাছে ছোট করা হচ্ছে।
কাহারোল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) সেলিমুর রহমান সেলিম জানান, বিষয়টি আপনারা ইতোমধ্যে অবগত আছেন। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ৪ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে বেতার অপারেটর কৃষ্ণ চন্দ্র রায়কে ইতোমধ্যে কাহারোল থানা থেকে ক্লোজড করে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়াটারে পাঠানো হয়েছে।



















