নড়াইলের নড়াগাতী থানার দেবদুন গ্রামে পাট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০টি বাড়ি ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে পাট ব্যবসায়ী জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে।
গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নড়াগাতী থানা এলাকার দেবদুন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবদুন গ্রামের সিদ্দিক কাজী পাট বিক্রির কথা বলে ব্যাবসায়ী জাকির মোল্যার কাছ থেকে অগ্রিম ১ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু সিদ্দিক পাট না দেওয়ায় ব্যাবসায়ী জাকির সিদ্দিকের বাড়িতে গিয়ে ১ হাজার টাকার সাথে ১শ টাকা সুদসহ ফেরত চাই। এ সময় দুজনের ভেতর বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
পাট বিক্রেতা সিদ্দিক কাজি বলেন, গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাট ব্যাবসায়ী জাকিরের সাথে আমার পাট কেনাবেচা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে পরের দিন বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাকির মোল্যার (৩৫) নেতৃত্বে মহাসিন মোল্যা (৪৫), হাসান মোল্যা (৫০), আফতাব মোল্যা (৩৫), লুৎফর মোল্যা (৬০), হাফিজুর ফকির (৩৫), আকিদুল ফকির (৫৫), লতিফ মোল্যা (৪০), মুসা মোল্যা (২১), রফিক মোল্যা (৫৫)।
টুটুল মোল্যা (৪৫), সাইফুল মোল্যা (৪৫), বাবর ভূইয়া (৫০), ইলিয়াছ ভূইয়া (৪৫), জাকির ভূইয়া (৩০)সহ আরও অনেক দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় আমাদের পক্ষীয় লোকজনের অন্তত ১০টি বাড়িঘর ভাংচুর করে, বাধা দিতে গেলে বাড়ির মহিলাদের মারধর করে। বাড়িঘর ভেঙে বাড়ির মূল্যবান সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় সিদ্দিক কাজির কাকা মোসা কাজি ২০ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে ১৫ জনের নামসহ আরও অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে নড়াগাতি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পাট ব্যবসায়ী জাকির মোল্যা বলেন, সিদ্দিক কাজি আমার কাছে পাট বিক্রির কথা বলে টাকা নিয়ে আমাকে পাট না দিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে। পরে আমি টাকা চাইতে গেলে টাকা ফেরত না দেওয়ায় সিদ্দিক কাজির সাথে কথাকাটাকাটি হয়। পরের দিন সকালে ওরা ওদের নিজেদের বাড়িঘর নিজেরা ভেঙে আমাদের নামে মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে।
নড়াগাতি থানা পুলিশের ওসি মো. হোসেন আলী বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।



















