কুড়িগ্রাম রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাঠাল বাড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান (৪০) তার থাকা টিনের চৌচালা ঘরের ভিতর থেকে মালামাল লুটপাট ও মারধরের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মিজানুর রহমান পিতা মোঃ শাকিম আলী কাঠালবাড়ী, থানা- রৌমারী, জেলা- কুড়িগ্রাম, বিবাদী ১। মোঃ মিনারুল ইসলাম (৪৫), ২। মোঃ মাইদুল ইসলাম (২৫), ৩। মোঃ জাইদুল ইসলাম (৩০), সর্ব পিতা-শাকিম আলী, ৪। মোছাঃ রেহেনা বেগম (৩৫), স্বামী- মিনারুল ইসলাম, ৫। মোছাঃ মৌসুমী খাতুন (৩০), স্বামী- জাহিদুল ইসলাম, ৬। মোছাঃ মায়ারানী (২৫), স্বামী- মাইদুল ইসলাম, ৭। মোছাঃ মিনা খাতুন (১৮), পিতা- মিনারুল ইসলাম, ৮। মোঃ এসাদুল ইসলাম (২২), পিতা- মিনারুল ইসলাম, সর্ব সাং- মির্জাপাড়া, ৯। মোঃ শাকিম আলী (৭০), পিতা- মৃত ছাবেদ আলী, ১০। মোঃ মতিয়ার রহমান তেলী (৪৫), পিতা- মৃত মোতালেব হোসেন, ১১। আফরোজা খাতুন (৩০), স্বামী-মোঃ মতিয়ার রহমান তেলী, ১২। মোঃ আবু সাঈদ (৩৬), সর্ব সাং- কাশিয়াবাড়ি, ১৩। মোঃ হরিবর রহমান (৬০), পিতা- মৃত বছর উদ্দিন, সাং- বাঘমারা, সর্ব থানা- রৌমারী, জেলা- কুড়িগ্রাম।
বিবাদীগণ তাহার পরিবারের লোকজন। পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় মিজানুরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে বসতবাড়ি নির্মাণ করিতে বলিলে, পিতার কথামতো নিরুপায় হইয়া বিভিন্ন স্থানে বসতবাড়ি নির্মাণ করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছে।
মিজানুর বিবাদীগণের নির্যাতন সহ্য করিতে না পারায় তার ছেলে মেয়ে স্ত্রী সহ মৌচাকে বসবাস করিয়া আসিতেছে এদিকে তার বসতবাড়িতে একটি ঘর রহিয়াছে। মৌচাকে বসবাস করার সুযোগে ১নং বিবাদী নিজ ইচ্ছায় উক্ত ঘরের সম্মুখে এমনভাবে একটি বিল্ডিং ঘর নির্মাণ করিয়াছে, যাহার কারণে নিজের ঘরে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করিতে পারছেন না।
উক্ত বিষয়ে তিনি গ্রামের লোকজনের নিকট খবর পেয়ে মৌচাক হইতে বাড়িতে আসিয়া গত ০৩/১১/২০২৬ ইং তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য শালিস দরবারের আয়োজন করা হইলে বিবাদীগণ উপস্থিত লোকজনের কোনো কথায় কর্ণপাত না করিয়া উল্টো মিজানের বসতবাড়ির ঘর ভাঙচুর করিয়া তাকে মারার ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করে।
বর্তমানে বিবাদীগণ যে কোনো সময় মিজানের পরিবার বসতবাড়িতে থাকা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করিয়া উচ্ছেদ করিতে পারে মর্মে আশঙ্কা দেখা যায়। এ বিষয়ে কোন সমাধান না পেয়ে নিরুপায় হয়ে রৌমারী থানায় বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন,রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী বলেন আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















